শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে নির্মমতা
পিটিয়েই তিন কিশোরকে হত্যা
দেওয়ান মোর্শেদ আলম
Published : Saturday, 15 August, 2020 at 3:17 AM
পিটিয়েই তিন কিশোরকে হত্যাযশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কোনো সংঘর্ষ হয়নি, পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে তিন কিশোরকে। কর্মকর্তা-কমচারী ও উসকিয়ে দেয়া বন্দিদের নির্মম পিটুনিতে মারা যায় বন্দি কিশোররা। দুপুরের দিকে অফিসে ডেকে দফায় দফায় পেটানো হয় তাদের। পরে তারা মারা যাওয়ার পর পর্যায়ক্রমে হাসপাতালে নেয়া হয়। মৃতদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের একাধিক চিহ্ন থাকলেও মাথায় আঘাতজনিত কারণে সবার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ময়নাতদন্তের সাথে থাকা যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি সূত্র। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্মম নির্যাতনে গুরুতর আহত হয়েছেন ১৫ জন। নিহতদের স্বজন ও হাসপাতালে ভর্তি আহতদের অভিযোগ এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্য থেকেও এসব তথ্য মিলেছে।
এব্যাপারে সমাজ সেবা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ পৃথকভাবে জোরাল তদন্ত শুরু করেছে। কয়েকটি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা স্বপ্রনোদিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। পুলিশ হেফাজতে নেয়া ১২ কর্মকর্তা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বরখাস্ত করা হয়েছে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্তাবধায়ক আব্দুলাহ আল মাসুদকে। ঘটনার ব্যাপারে নিহত পারভেজ হাসান রাব্বির বাবা খুলনা দৌলতপুরের মহেশ্¦রপাশা সেনপাড়ার রোকা মিয়া যশোর কোতোয়ালী থানায় মামলা করেছেন। সমাজসেবা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের পক্ষে দু’টি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
যশোরের পুলেরহাটের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দি শিশুদের মধ্যে পাভেল ও রবিউল গ্রুপের সংঘর্ষে তিনজন নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছে বলে প্রচার করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অতি সম্প্রতি কয়েকদফা মারপিট ও হামলার ঘটনা ঘটে। এর জেরে ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে আবারও হামলা এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলেও প্রচার করা হয়। বগুড়ার শিবগঞ্জের তালিবপুর পূর্বপাড়ার নান্নু পরামানিকের ছেলে নাঈম হোসেন (১৭), খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা সেনপাড়ার রোকা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি (১৭) ও বগুড়ার শেরপুর উপজেলা মহিপুরের আলহাজ নুরুল ইসলাম নুরুর ছেলে রাসেল হোসেন ওরফে সুজন (১৭) খুন হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে প্রশাসন। শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পদস্থরা পরিদর্শনে গেলে উঠে আসতে থাকে প্রকৃত তথ্য। খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম, যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, এসপি মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন ঝটিকা তদন্তে বেরিয়ে আসে রোমহর্ষক কাহিনী। তারা বর্ণনা শোনেন আহত অনেক বন্দির।
অতিরিক্ত ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিশু ইন্নয়ন কেন্দ্রে মারাত্মক, মর্মান্তিক ও অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতিত বন্দি শিশুরা কেউ মিথ্য কথা বলেনি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের কথার সত্যতা ও যৌক্তিকতা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যারা অপরাধ নিয়ে কাজ করি, তারা ঘটনার প্রায় ছয় ঘণ্টা পরে বিষয়টি অবহিত হয়েছি। যে কারণে মূল ঘটনা জানা জটিল ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এব্যাপারে মামলা হবে। ক্ষতিগ্রস্তরা বা তাদের স্বজন অথবা তৃতীয় কোনো পক্ষ-সর্বশেষ কাউকে না পাওয়া গেলে পুলিশ মামলা করবে। দ্বিপক্ষীয় কোনো সংঘর্ষ হয়নি ওখানে, যা হয়েছে একপক্ষীয়’।  
এদিকে, নির্যাতনে গুরুতত আহত হয়ে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৫ কিশোর গ্রামের কাগজের কাছে নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছে। এরা হচ্ছে নোয়াখালী চাটখিল উপজেলার মোমিনপুর গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে জাবেদ হোসেন (১৭), বগুড়া গুরবিষা গ্রামের বিল্লালের ছেলে সাব্বির (১৬), নাটোরের গুরুদাসপুরের বিলছা গ্রামের মিলন ভক্তির ছেলে সাকিব হাসান (১৬), গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ঘোষগাতি গ্রামের রিজু ফকিরের ছেলে নাইম খান (১৬), খুলনা সোনাডাঙ্গার জহির আহম্মেদের ছেলে সাব্বির হোসেন (১৭), যশোর লোন অফিসপাড়ার কাঠেরপুল এলাকার আলমাসের ছেলে সাকিব, চুয়াডাঙ্গা জেলার দৌলোতদিয়া গ্রামের ইসতিয়ার হোসেনের ছেলে পাভেল (১৬), বাগেরহাট চিতলমারী চরপাড়া আড়ুয়াবন্নী গ্রামের হাসমত খানের ছেলে লিমন খান (১৭), লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের স্টেশন পাড়ার মফিজুর হকের ছেলে মোস্তফা কামাল হৃদয়, যশোর ঘোপ জেল রোডের রনির ছেলে হৃদয় (১৭), ধর্মতলা এলাকার আসাদুজ্জামানের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মাহিম (১৭), খুলনা সোনাডাঙ্গা এলাকার মৃত আবু বক্কর সিদ্দিকির ছেলে আরমান খলিফা (১৬), গোপালগঞ্জ মোকছেদপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম পলাশ (১৭), বগুড়া শাহাজানপুরের সোজাবাদ গ্রামের সোহেল রানার ছেলে সাইফুল ইসলাম রূপক (১৬) ও বসুন্দিয়া জগনাথপুর পশ্চিমপাড়ার ফারুখ শেখের ছেলে ঈশান শেখ (১৭)।
আহত কিশোররা জানায়, গত ৩ আগস্ট শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সিকিউরিটি বিভাগের নূর ইসলামের পক্ষের কয়েকজন বন্দি মাদক সেবন করে চুয়াডাঙ্গার পাভেল নামে এক বন্দিকে মারপিট করে। এনিয়ে সে অফিসে জানালে গালিগালাজ করে তাকে ফের মারপিট করা হয়। এনিয়ে ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে অফিসে ডাকা হয় এবং বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাসুদের সামনে সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মাসুম বিল্লাহ, প্রবেশন অফিসার মুশফিকুর রহমানসহ কয়েকজন অফিসার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত দফায় দফায় তাদেরকে মারপিট করে। পরে তাদের ঠিকমত চিকিৎসা করানো হয়না।
আহতরা আরও জানায়, মারধর করে তাদের এখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়। পরে একজন করে মারা গেলে তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর রাত ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে চার দফায় আহতদের হাসপাতালে আনা হয়।
যাকে নিয়ে গ্রুপ আখ্যা দেয়া হচ্ছে আহত সেই বন্দি চুয়াডাঙ্গার পাভেল জানায়, ‘৩ আগস্ট কেন্দ্রের হেডগার্ড (আনসার সদস্য) নূর ইসলাম তার চুল কেটে দিতে বলে। সেদিন কেন্দ্রের প্রায় দু’শজনের চুল কেটে দেয়ায় আমার হাত ব্যথা ছিল। এ কারণে তার চুল পরে কেটে দেয়া হবে জানালে সে ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে কয়েকজন কিশোর তাকে মারধর করে। বিষয়টি হেডগার্ড অফিসে জানায়। সেখানে নূর ইসলাম মিথ্যা অভিযোগ করেন, কিশোররা মাদক সেবন করে তাকে মারধর করেছে। কিন্তু কিশোররা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে, তারা মাদক সেবন করেনি’।
পাভল আরও জানায়, ‘ওই ঘটনার পর ১৩ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে আমাদের অফিসে ডাকা হয় এবং এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। আমরা ঘটনার আদ্যোপান্ত জানানোর এক পর্যায়ে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মাসুম বিল্লাহ, প্রবেশন অফিসার মুশফিকসহ অন্য স্যাররা আমাদের বেধড়ক মারপিট করে’।
আহত কিশোর জাবেদ হোসেন জানায়, ‘স্যাররা ও অন্য বন্দি কিশোররা আমাদের লোহার পাইপ, বাটাম দিয়ে কুকুরের মতো মেরেছে। তারা জানালার গ্রিলের ভেতর আমাদের হাত ঢুকিয়ে তা বেঁধে মুখের ভেতর কাপড় দিয়ে এবং পা বেঁধে মারধর করে। অচেতন হয়ে গেলে আমাদের কাউকে রুমের ভেতর আবার কাউকে বাইরে গাছ তলায় ফেলে আসে। জ্ঞান ফিরলে ফের একই কায়দায় মারপিট করে’।
যশোরের বসুন্দিয়া এলাকার বন্দি ঈশান বলেছে, ‘নিহত রাসেল আর আমি একই রুমে থাকতাম। আগামী মাসেই তার (রাসেলের) জামিনে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। স্যারদের বেদম মারপিট আর চিকিৎসা না পেয়ে সে মারা গেছে।’
সে আরও অভিযোগ করে, ‘প্রবেশন অফিসার মারধরের সময় বলেন ‘তোদের বেশি বাড় বেড়েছে। জেল পলাতক হিসেবে তোদের বিরুদ্ধে মামলা করে ক্রসফায়ারে দেয়া হবে।’
তবে চিৎসাধীন বন্দিদের অভিযোগ সত্য নয় দাবি করে উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রবেশন অফিসার মুশফিকুর রহমান দাবি করেন, ‘সম্প্রতি কেন্দ্রে বন্দি কিশোরদের দু’গ্রুপের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরই জেরে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রড ও লাঠির আঘাতে মারাত্মক জখম হয় ১৭ কিশোর। প্রাথমিকভাবে উন্নয়ন কেন্দ্রে তাদের চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা চলে। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। এর মধ্যে নাইম, পারভেজ ও রাসেলকে মৃত  ঘোষণা করেন চিকিৎসক’।
এদিকে, যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত পারভেজের বাবা রোকা মিয়া, কাকা আলমগীর হোসেন, নিহত নাইমের ভাই সাহাদৎ হোসেন, নিহত রাসেলের বড়ভাই সাইফুল ইসলাম, ভগ্নিপতি হাবিবুর রহমান জানান, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ভেতরে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। কর্মকর্তারা যোগসাজসে তাদেরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তারা টিভি ও পত্রিকার সংবাদ শুনে ভোরে যশোরে পৌঁছান। কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে ফোন করলে তাদেরকে বার বার বলা হয়েছে আল্লাহকে ডাকেন। আর এখন লাশ দিতেও গড়িমসি করছে। একইসাথে মামলা নিতেও তালবাহানা করছে।
তারা আরও জানান, এডি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের কক্ষে ফেলে মাসুম বিল্লার নেতৃত্বে তাদের উপর দফায় দফায় নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তারা জীবিত ছেলেগুলোকে ভালো হওয়ার শিক্ষা দেবেন, সেখান থেকে সংশোধিত হয়ে বাড়ি ফিরবে, আর আজ সেখান থেকে লাশ হয়ে বাবার কাঁধে উঠছে তারা। শিশু উন্নয়নের পরিবর্তে এখানে হত্যাকান্ড ঘটিয়ে লাশ উপহার দেয়া হচ্ছে। ছেলেগুলো বার বার মাফ চেয়ে হাত পায়ে ধরলেও ক্ষমা করেননি কর্মকর্তারা।
রোকা মিয়া জানান, ‘আমি শ্রমিক নেতা। জীবনে বহু আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। নিজে খুলনার নির্বাচিত কাউন্সিলর। আমার ছেলেসহ যে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার চাই। প্রয়োজনে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলবো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের নরপশুদের বিচার করতে’।
এব্যাপারে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজ উদ্দিন খান গ্রামের কাগজকে জানিয়েছেন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অনাকাঙ্খিত হতাহতের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষে কোনো তদন্ত কমিটি করা হয়নি। তবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে তিন সদস্যের। কমিটির প্রধান করা হয়েছে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে। এছাড়া, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) ও যশোর সমাজসেবার উপপরিচালককে সদস্য করা হয়েছে। ঘটনার জোরালো তদন্ত চলছে নানামুখী। বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।  তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত  ঘটনায় কারা জড়িত কিংবা কারা দায়ী পরিস্কার করে বলা যাচ্ছেনা।
যশোর জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলাম ১৪ আগস্ট শুকবার একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করার জন্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রতিষ্ঠান) সৈয়দ নুরুল বসির ও উপপরিচালক (প্রতিষ্ঠান ২) এস এম মাহমুদ উল্লাহ। তিন কর্ম দিবসের মধ্যে মহাপরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েন, তিন কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় কেন্দ্রের ১২ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও আনসার সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।   
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সূত্রের দাবি, সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মাসুম বিল্লাহ, প্রবেশন অফিসার মুশফিকুর রহমান, সিকিউরিটি বিভাগের নুরুল ইসলামসহ ১২ জন কর্মকর্তা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিয়ে গেছে।  
যশোর কোতোয়ালী থানার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ১৪ আগস্ট রাত ৮টায় জানিয়েছেন, ঘটনার ব্যাপারে পুলিশ ছাড়াও আরও কয়েকটি সংস্থ্ ামাঠে নেমেছে। নিহত পারভেজের বাবা রোকা মিয়া রাতে মামলা করেছেন।
এদিকে, ১৪ আগস্ট বিকেলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার আহম্মেদ তারেক সামস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুল হকের উপস্থিতে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের সাথে যুক্ত একটি সূত্রে জানাগেছে, মাথায় আঘাত করে ওই তিন কিশোরকে খুন করা হয়েছে। এছাড়া নিহতদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন আছে।
সুরোতহাল রিপোর্ট তৈরি করা এস আই সেকেন্দান জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরের অনেক স্থানেই আঘাতের চিহ্ন আছে। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft