মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
সবুরি মেওয়া ফলে
Published : Monday, 10 August, 2020 at 10:49 PM
সবুরি মেওয়া ফলেসুমায়ডা কিরাম দেকতি দেকতি বদলায় গ্যালো। চোকির সুমকি একন হরহামেশা কত কি ঘইটে চইলেচে এক সুমায় আমরা তা কল্পনায়ও আনতি পারিনি। কি কি বদলায় গ্যালো তা ঠিকঠাক কতি গেলি লম্বা চুতা কত্তি হবেনে। এট্টা নিয়েই চিটিডা লিকতি বসিচি। কুটিকালের কতা,তকন আমরা দেকিচি মা চাচী ভাসুরতো তো দুরি থাক বরের নামও মুকি কইতো না। তাগের কোনদিন আপনাত্তে তুমি কতি শুনিনি। আর একন তা তুই তুকারিতি চইলে গেচে। সিডা যার যার ইচ্চে সে সে কইকগে তা নিয়ে কারো আপত্তি ঘাস জল খাবেনা। কিন্তুক বৌতি পানেত্তে চুন খসলিই বররে বাইড়োয় থেতো করবে ইডা বাপু মাইনে নিতি পাল্লাম না। আমি তকন ছোট কিন্তুক ভালোই মনে আচে। এক রাত্তিরি বড়’চা চাচীরে পিটা শুরু কইরেচে। চাচী গেলাম রে মলাম রে কইরে সেই গ্যাঙাচ্চে। স¹লি দৌড়োয় গেচে ঠেকাতি। মাজ’চা যাইয়ে কচ্চে কি ব্যাপার ম্যা’ভাই এই রাইত দুপারে ভাবীরে মাত্তিচাও কিয়েত্তি। বড় চাচা লোকজন দেইকে চাচীরে ছাইড়ে দিয়ে তফাতে গুজরাচ্চে।  রাগে ফুসতি ফুসতি কচ্চে তুরা ভালো কইরে জানিস আমি শাক খড়খড়ি খায়নে। তোগের ভাবীও সিডা ভালো কইরে জানে। দুপারে শাক খড়খড়ি কইরেচে বিলে আমি ভাতই মুকি দিলাম না। রাত্তিরি আবার সেই শাক খড়খড়ি কোন আক্কেলে আমার সুমকি আইনলো, তাই এট্টু শিক্কে দিচ্চিলাম। চাচার কতা শুইনে যারা আইগোয় আইলো তারাও কি কবে আর ভাইবে পাচ্চেনা। পিরায় বাড়িতি ইরাম খাওয়া দাওয়া নিয়ে ঝুনঝাট হইতো, একনো হয়। তেবে মাইর খাওয়ার ঘটনাডা উল্টে গেচে। আগে বরের হাতে বউ মাইর খাইতো একন বউর হাতে বর মাইর খায়। কাল পিপারে এট্টা খবর পড়লাম। বউ আলুর তয়কার রান্না কইরেচে, বরের ডায়াবেটিস বিলে খাতি চায়নি। ব্যাস, রুটি বানানো বেলুন দিয়ে ধমাধম গুটা দুচ্চার দিয়ে দেচে।  কুতরাতি কুতরাতি ডাক্তারের কাচে গিলো পরে জানা গেচে বাড়ির কচনে বিটাডার কান্দের হাড় ফাইটে চৌচির। এই ঘটনায় ভুক্তভুগী বিটাডা বউ’র নামে থানায় মামলাও দেচে। তেবে বউর হাতে মাইর খাইয়ে মামলা করার ঘটনাডা আমাগের দেশের না, ভারতের গুজরাটের। আমাগের দেশের বিটাগের প্যাটে হ্যাতো বড় পিলে হয়নি যে মাইর খালিও মুক খুলতি পারবে। তারা কুটি কালতে শিইকে আইয়েচে সবুরি মেওয়া ফলে।
ইতি
অভাগা আক্কেল চাচা
০১৭২৮৮৭১০০৩




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft