মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে চুরি ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধার
কাগজ সংবাদ
Published : Wednesday, 15 July, 2020 at 1:08 AM
তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে চুরি
২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধারতুলা উন্নয়ন বোর্ড যশোরের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের আলমারির ভেঙে দুঃসাহসিক চুরি হয়েছে। স্থানীয় জনতা ও অফিস কর্মচারিরা চোর চক্রের একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
আটককৃত চোরের দখল থেকে এবং দেখিয়ে দেয়া স্থান থেকে ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া এত টাকা সরকারি কর্মকর্তার অফিস ড্রয়ারে কেন রাখা হয়েছিল কিংবা ওই টাকার উৎস কি এব্যাপারে পরিস্কার তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ। তবে তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তার দাবি টাকা তুলা চাষিদের দুটি ইউনিটের দেয়া, তার কাছে ছিল।
১৩ জুলাই গভীর রাতে যশোর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রথান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা কুতুব উদ্দীনের অফিসে একটি চোর চক্র হানা দেয়। অফিসের আলমারি ভাঙার শব্দ হচ্ছে শুনতে পেয়ে পাশের বাসা থেকে কুতুব উদ্দীনের স্ত্রী নৈশ প্রহরী আবু জাফরকে জানান। আবু জাফর এগিয়ে গিয়ে একই শব্দ শুনতে পেয়ে  অফিস কক্ষে বাইরে থেকে একটি নতুন  তালা ঝুলিয়ে দিয়ে চোর আটকে ফেলেন। এরপর অফিস প্রধান কুতুবউদ্দিীনসহ অন্য কর্মচারিদের ফোন করেন। এছাড়া থানাকে অবহিত করেন। এসময় উপশহর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। অফিস কক্ষে আটকে যাওয়া চোরকে ধরতে পুলিশের উপস্থিতিতে দরজা খোলা হয়।
প্রথমে দেখা যায় ক্যাশ ড্রয়ার ভাঙা তবে  ওই কক্ষে কোনো চোর নেই। খোঁজার্খুজির পর হাতাশ হয়ে তল্লাশি টিম ফিরে যাওয়ার সময় হঠাৎ অফিস সানসেটের পাশের টিভির খালি বাক্স নড়ে ওঠে। সেখানে ঝাঁকাঝাঁকি করলে বেরিয়ে আসে বাক্সে লুকিয়ে থাকা এক চোর। চোরকে ধরে ফেলে পুলিশ ও অফিস কর্মচারিরা। সে নিজের দখল থেকে ৬৬ হাজার টাকা বের করে দেয়। এরপর আরো চাপ দিলে সে বলে পাশের বিল্ডিংয়ের ছাদে বাকি টাকার ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলেছে। এরপর সেখান থেকে উদ্ধার হয় বাকি টাকা। সব মিলিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধার হয়। ধৃত চোরের নাম শাহিন ওরফে শামীম। সে শংকরপুর বাসটার্মিনাল এলাকার  রবিউল ইসলাম বাবুল ওরফে জীবনের ছেলে। ওই চোর চক্রে আরও ৩ জন ছিল বলে দাবি পুলিশ ও কর্মকর্তাদের। এঘটনায় ১৪ জুলাই বিকেলে শাহিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত ৩ জনের বিরুদ্ধে মামরা করা হয়। মামলা করেছেন প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা কতুব উদ্দীন।
থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অফিস থেকে চুরি ও  উদ্ধারকৃত টাকা এবং ধৃত চোরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। যদিও তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা টাকা থানা থেকে ছাড় করাতে মরিয়া ছিলেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা তার অফিস ড্রয়ারে (২লাখ ৬৬ হাজার টাকা)  এত টাকা রাখতে পারেন কিনা এবিষয়টিও তদন্তের দাবি রাখে। একই সাথে ওই টাকার উৎস তার কাছে এখনও পরিস্কার নয়। এব্যাপারে তদন্ত করা হবে।  অন্য চোরদের আটকের চেষ্টা চলছে।
এব্যাপারে প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা কুতুবউদ্দীন জানিয়েছেন ওই টাকা তুলা উনয়ন্ন বোর্ডের আওতাধীন  বরিশাল ও  গোপলগঞ্জ ইউনিটের চাষিদের। তাদের পাঠানো টাকা তার কাছে ছিল। এর মধ্যে বরিশাল ইউনিটের ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও গোপালগঞ্জ ইউনিটের ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। ঝিকরগাছার তুলা চাষিদের মাধ্যমে ওই টাকা তার কাছে এসেছিল। টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ার কথা ছিল আজকে। কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে তার কাছে ছিলনা।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft