শনিবার, ০৮ আগস্ট, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
৩৫ জনের মধ্যে ২২ জনের রিপোর্ট দিয়েছে আইইডিসিআর
যশোরে করোনায় আক্রান্ত না কেউই
ফয়সল ইসলাম :
Published : Tuesday, 7 April, 2020 at 5:35 PM
যশোরে করোনায় আক্রান্ত না কেউইকরোনাভাইরাস সংক্রমণ বিস্তার ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে যশোরের প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। কঠোর পদক্ষেপে হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহল জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে সর্দি, জ্বর, হাচি, কাঁশি ও শ্বাসকষ্ট উপসর্গ দেখা দেয়া মাত্রই তাকে পাঠানো হচ্ছে কোয়ারেন্টাইনে। এতে ভালো ফল মিলছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সন্দেহভাজন ৩৫ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্যে আইইডিসিআর-এ পাঠিয়েছে। তার মধ্যে এ পর্যন্ত ২২ জনের রিপোর্ট এসেছে। সোমবারই এসেছে ১৬ জনের রিপোর্ট। আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে ২২ জনের রিপোর্ট চূড়ান্ত করে পাঠানো হয়েছে তাদের কারো নমুনায় করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। গ্রামের কাগজকে এ তথ্য জানিয়েছেন সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন।
স্বাস্থ্য বিভাগের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, সোমবার সন্দেহভাজন আরও ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার জন্যে আইইডিসিআর-এ সেগুলো পাঠানো হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমিত সন্দেহে সদর উপজেলা থেকে ১৪ জন, বাঘারাপাড়ার চারজন, চৌগাছার পাঁচজন, অভয়নগরের চারজন, কেশবপুরের চারজন, মণিরামপুরের চারজন, ঝিকরগাছার পাঁচজন ও শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাতজন  সর্বমোট ৪৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, ১০ মার্চ থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৮ দিনে দু’হাজার চারশ’ ৬৯ জনকে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। কমিউনিটি পর্যায়ে ভাইরাস সংক্রমণ সতর্কতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২৪ জনকে হোমকোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে শুধুমাত্র সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছেন ১৫ জন। এছাড়া, শার্শায় পাঁচজন, মণিরামপুরে দু’জন, কেশবপুরে একজন ও চৌগাছায়  একজনকে চিহ্নিত করে হোমকোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে রয়েছেন তারা। হোমকোয়ারেন্টাইনে একটানা ১৪ দিন থাকার পর দু’হাজার একশ’ ৫৮ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। তারা বর্তমানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণমুক্ত।
সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, যশোরে এখনো পর্যন্ত করোনাভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হননি। সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সবাইকে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। কিন্তুঅনেক ক্ষেত্রেই তা উপেক্ষিত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন বর্তমানে কঠোর অবস্থানে গেছে। সকলে সচেতন হলেই করোনাভাইরাসের আক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft