বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২০
আন্তর্জাতিক সংবাদ
করোনাভাইরাস
মাস্ক থেকে বাড়ছে বিপদ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Tuesday, 24 March, 2020 at 5:05 PM
মাস্ক থেকে বাড়ছে বিপদভারতে করোনা-শঙ্কা তৃতীয় সপ্তাহে পড়তে না পড়তেই হঠাৎই মাস্ক ব্যবহারের পরিমাণ অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। কলকাতার ছবিও আলাদা নয়। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি ও এক জনের মৃত্যুর ঘটনায় এই শঙ্কায় মাস্ক ব্যবহারের ঝোঁক আরও বেড়েছে। তবে কোনও কাজের কাজ হবে না এতে। আনন্দাবাজারের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
মেডিসিন ও সংক্রামক অসুখের বিশেষজ্ঞ অমিতাভ নন্দী জানান, এই ধরনের ভাইরাস কখনওই মাস্ক দিয়ে ঠেকানো যায় না । তাঁর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ সুমিত সেনগুপ্ত ও ভায়ারোলজিস্ট সুশ্রুত বন্দ্যোপাধ্যায়।
কী কী ব্যবহার করছে সাধারণ মানুষ? রাস্তাঘাটে বেশির ভাগ মানুষের মুখে যে সব মাস্ক দেখা যাচ্ছে, তার তালিকায় রয়েছে—
• এন৯৫ মাস্ক।
• তিন স্তর বিশিষ্ট ডিসপোজাল সার্জিক্যাল মাস্ক।
• গেঞ্জি কাপড় ও স্পঞ্জের মাস্ক।
• কাপড়ের তৈরি মাস্ক।
• ওড়না বা রুমাল বেঁধে মাস্কের মতো ব্যবহার।
লাভ হচ্ছে কি? তা হলে কি কেউ মাস্ক পরবেন না? কারা কারা পরবেন, আর কারা পরবেন না, সে বিষয়ে স্পষ্ট জানালেন মেডিসিন ও সংক্রামক অসুখের বিশেষজ্ঞ অমিতাভ নন্দী।
• এন৯৫ মাস্ক একমাত্র তখনই প্রয়োজন, যদি কেউ সরাসরি রোগীর কাছে থাকেন বা তাঁকে নাড়াঘাঁটা করেন। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা তা ব্যবহার করবেন, যাঁরা রোগীর এক মিটারেরও কম দূরত্বে দীর্ঘ ক্ষণ থাকবেন।
• সার্জিক্যাল বা অন্য ধরনের মাস্ক এ ক্ষেত্রে কোনও কাজে দেয় না। তবে যাঁদের সর্দি-কাশি হচ্ছে, তাঁরা এই সার্জিক্যাল মাস্ক পরুন। সেটা নিজের জন্য নয়, অন্যের শরীরে রোগ না ছড়ানোর সচেতনতা থেকে।
• অন্য কোনও ধরনের মাস্ক আর কোনও কাজে আসে না।
বার বার মাস্কে হাত দিলে তা আরও ক্ষতি ডেকে আনে। ডাস্ট অ্যালার্জি থাকলেও মাস্ক পরে লাভ নেই?
ধুলো থেকে বাঁচতে এই সব সাধারণ মাস্ক কোনও কাজে আসে না। এই সব মাস্ক ধুলোর ক্ষুদ্র কণাকে আটকাতে পারে না। আর ধুলোর সঙ্গে করোনার কোনও যোগ নেই। এটা বায়ুবাহিত রোগের তালিকাতেও পড়ে না। কেউ ধুলো এড়াতে মাস্ক পরতে চাইলে তাঁরা সার্জিক্যাল মাস্ক পরুন।
মাস্কে রিস্ক ফ্যাক্টর কী কী?
• এন৯৫ মাস্কের মাধ্যমে ৯৫ শতাংশ ভাইরাস মরে। কিন্তু এই মাস্ক সব সময় পরে থাকা যায় না। একটানা ১০ মিনিট পরে থাকলেও নানা সমস্যা হয়। নাক-কানে চাপ পড়ে। কানে ব্যথা হয়। একটা সময়ের পর দমবন্ধ লাগে। তাই এই মাস্ক পরলে বার বার তা নামিয়ে রাখতে বাধ্য হন মানুষ। কখনও কখনও নাকে-মুখে হাত দিয়ে তা ঠিক করতে হয়। এতেই ক্ষতি বাড়ে।
• আর কোনও ধরনের মাস্ক এ ক্ষেত্রে খুব একটা কাজে লাগে না। তা ছাড়া যে কোনও মাস্কই গরম লাগার পর খুলে ফেলছেন অনেকে। এতেও হাত লাগছে মাস্কে।
• মাস্ক পরার পর মাঝেমধ্যেই তা ঠিক করতে তাতে হাত দিচ্ছেন সবাই। এতে হাতের জীবাণু মাস্কে যাচ্ছে। মাস্কের উপরিভাগের জীবাণু মিশছে হাতে। ফলে কাজের কাজ তো হচ্ছেই না, উল্টে ক্ষতি বাড়ছে।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft