বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০
অর্থকড়ি
করোনার প্রভাবে ঝালকাঠিতে চালের বাজারে আগুনের ছোয়া
মোঃ আল-আমিন, ঝালকাঠি :
Published : Thursday, 19 March, 2020 at 2:55 PM
করোনার প্রভাবে ঝালকাঠিতে চালের বাজারে আগুনের ছোয়াহঠাৎ করেই অস্থির হয়ে উঠেছে ঝালকাঠির চালের বাজার। বিশেষ কোনো কারণ বা অজুহাত ছাড়াই প্রকারভেদে বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ২শ থেকে সাড়ে ৪শ টাকা পর্যন্ত। ঝালকাঠির চাল বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরায় বস্তাপ্রতি চালের দর বেড়েছে ২শ থেকে সাড়ে ৪শ টাকা পর্যন্ত। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চিনিগুঁড়া বা স্বর্ণা বুলেট চালের দর। কেজিপ্রতি চিনিগুঁড়া চালের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত। এসব বাজারে এক সপ্তাহ আগে প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) চিনিগুঁড়া চাল বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার ৫শ থেকে ৪৭শ টাকার মধ্যে। মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে চিনিগুঁড়া চাল বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ২৫০ টাকা পর্যন্ত।
অন্যদিকে মাত্র তিনদিন আগে খুচরা বাজারে প্রতিবস্তা মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ২২ শ টাকা, আটাশ চাল ১৭শ টাকা, বিভিন্ন প্রকার নাজির চাল প্রতিবস্তা ২১শ টাকা থেকে ২৮শ টাকায়। বর্তমানে ঝালকাঠির বাজারে প্রতিবস্তা স্বর্ণা বুলেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ১৮শ ২০ টাকা, বিভিন্ন প্রকার নাজির চাল প্রতিবস্তা বিক্রি হচ্ছে ২২ শ ৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায়। হঠাৎ করে চালের দাম বাড়া নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। আর বিক্রেতারা বলছেন, মিলকল মালিকরা চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। মিল থেকে বাড়তি দামে চাল কেনায় তাদের বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। মোঃ ইয়াসিন নামে ঝালকাঠির বড় বাজারের এক ক্রেতা বলেন, এখন ব্যবসায়ীরা সব পণ্যের দর-দাম ঠিক করে দেন। আমরা বাধ্য হয়েই তাদের থেকে মালামাল সংগ্রহ করি। মাত্র দু-দিন আগে যে চাল ৪০ টাকা কেজি দরে কিনেছি আজ সেটার দাম হয়ে গেলো ৪৮ টাকা। এ যেন মগের মুল্লুক! করোনা আতংকে চালের বাড়তি দাম এবং মজুদের প্রবণতা সৃষ্টি করছে। আবার কিছু কিছু অসাধু বিক্রেতারা হঠাৎ করে কৃত্তিম দাম বৃদ্ধি করে বাড়তি মুনাফা লাভ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাজারের প্রতিনিয়ত ক্রেতা হালিমা খাতুন, তিনি বলেন, কোন কারন ছাড়াই চালের দাম বাড়লো। সরকারিভাবে বাজার তদারকি না করলে শুধু চাল কেনো সব কিছুর মূল্য নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে ব্যবসায়ীদের হাতে। যখন চালের দাম বাড়ানো হলো সে সময়েই পদক্ষেপ নেওয়া হলে অণ্যসব পন্যের দাম বাড়তো না। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা দুষছেন মিলকল মালিকদের। তাদের মতে, বাজারে চালের বিক্রি কম হলেও অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে চালের। এ অবস্থায় দাম বাড়ানোর কোনো যুক্তি নেই। এ বিষয়ে ঝালকাঠি বাজারের চাল বিক্রেতা ও মেসার্স অমৃত ভান্ডার জানান, তিন/চার দিনের ব্যবধানে চালের দাম বস্তাপ্রতি ২শ থেকে ৪শ টাকা বেড়েছে। এখন চালের বিক্রি কম হলেও মিলকল মালিকরা এ দাম বাড়িয়েছেন। সেখান থেকে বেশি দামে চাল কেনায় আমাদের বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে মিল মালিকরা চালের দাম কমালে আমাদের এখানেও দাম কমে আসবে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft