বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০
জাতীয়
নদীকে সমস্ত কূটনৈতিক জটিলতা থেকে মুক্ত করার সময় এসেছে
হুমায়ুন কবির, কলাপাড়া (পটয়াখালী) প্রতিনিধি :
Published : Friday, 24 January, 2020 at 5:57 PM
নদীকে সমস্ত কূটনৈতিক জটিলতা থেকে মুক্ত করার সময় এসেছেনদী জীবন্ত সত্ত্বা হিসেবে স্বীকৃতি লাভের পর এখন সময় এসেছে নদীকে সমস্ত কূটনৈতিক জটিলতা থেকে মুক্ত করার। আর এজন্য উদ্যোগী হতে হবে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে। অপরিকল্পিত সকল বাধ ভেংগে দিতে পানির গতিপ্রবাহকে তার স্বাভাবিক নিয়মে চলতে দিতে হবে। পাশপাশি দখল হওয়া সকল নদী-খাল উদ্বার করতে হবে। শুক্রবার পটুয়াখালীর কুয়াকাটার গ্রেভার ইন হোটেলের কনফারেন্স হলে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের আয়োজনে দুইদিন ব্যাপী ৫ম আর্ন্তজাতিক পানি সম্মেলন এসব কথা বলেন বক্তারা।
‘নদী অধিকারকে বৈধকরণ; জনগণ, রাজনীতি এবং অনুশীলন’ র্শীষক দুইদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের প্রথমদিনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টও ফারাহ কবির। মূল নিবন্ধ পাঠ করেন ড. ইমতিয়াজ আহমেদ। এছাড়্ওা সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবর রহমান হ্ওালাদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পানি সম্পদ এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং প্রফেসর ইমিরিটাস ড. আইনুন নিশাত। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের গবেষক, নদী কর্মী, শিক্ষাবিদ, সরকারি কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন অংশিদারসহ স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।
নদী নিয়ে কূটনৈতিক জটিলতা নিরসনের উপর জোড় দিয়ে মূল নিবন্ধে ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ অর্থাৎ ঝড় তুফান, বন্যা জলোচ্ছাস আসে তখন মানুষের মধ্যে যে ভয় সৃষ্টি হয় সেটি কিন্তু থেকে যায়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এই ভয় সংক্রমিত হয়। আগে দেখা যেতো দীর্ঘদিন, প্রায় ৫০ বছর পর পর এক একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসতো। কিন্তু এখন একটি মানুষ তার জীবনকালেই বেশ কয়েকটা দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। এই ভয়টাকে দূর করাটা জরুরি।
ড. আইনুন নিশাত বলেন, নদীকে বাচিয়ে রাখতে হলে, টিকিয়ে রাখতে হলে নদীকে জানতে হবে। নদীর প্রতিটি ধাপ, চরিত্র জানতে হবে। নদীর প্রশস্ততা কমে গেলে অথবা নদী শাসন করা হলে নদীর ভারসাম্য নষ্ট হয়। আর তখনই নদীকে আমরা হারিয়ে ফেলতে বসি। নদীর জন্য সাধারণ জনগণকে মুখর হতে, প্রতিবাদ জানাতে আহবান জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নদী কমিষনের চেয়ারম্যান ড. মজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, দখল হওয়া সকল নদীকে উদ্বার করতে হবে। পাশপাশি এখনই সকল নদীর সীমানা র্নিধারন করতে হবে। অন্যথায় অস্তিত্ব হারানো নদীকে আর কোনদিন চিহ্নিত করা যাবেনা।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft