বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
কৃষি বিভাগের সন্তুষ্টি প্রকাশ!
যশোরে ফলন কমেছে আমনের
এম. আইউব :
Published : Saturday, 18 January, 2020 at 6:48 AM
যশোরে ফলন কমেছে আমনের যশোরে এবার ফলন কমেছে আমন ধানের। এ কারণে হতাশা প্রকাশ করেছেন কৃষক। যদিও সন্তুষ্ট কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগের বক্তব্য, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ বছর যশোরে আমন ধানে বিঘা প্রতি ফলন হয়েছে ১৪.৩৭ মণ। যা গত বছরের তুলনায় কম।
২০১৯-২০ মৌসুমে যশোরে রোপা আমন ধানের আবাদ হয় এক লাখ ৩৯ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে উফশী জাতের ছিল এক লাখ ৩১ হাজার আটশ’ ৭৫ হেক্টর, হাইব্রিড পাঁচ হাজার দুশ’ ১০ ও স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ হয় এক হাজার নয়শ’ ৪০ হেক্টরে।
উফশী জাতের ধান জেলার আট উপজেলায় মোট উৎপাদন হয়েছে পাঁচ লাখ ৭২ হাজার পাঁচশ’ ১০ মেট্রিকটন। এ ছাড়া, হাইব্রিড ২৯ হাজার একশ’ ২০ ও স্থানীয় জাতের চার হাজার নয়শ’ ১০ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে।
উফশী জাতে প্রতি হেক্টরে ফলন হয়েছে ৪.৩৫, হাইব্রিড ৫.৫৯ ও স্থানীয় ২.৫৩ মেট্রিকটন। সবচেয়ে বেশি ফলন হয়েছে হাইব্রিড চাষে। আর কম ফলন স্থানীয় জাতের ধানে। উফশীর ফলন মাঝমাঝি পর্যায়ে রয়েছে। অথচ উফশী জাতের ধানের আবাদ হয় সবচেয়ে বেশি। কৃষি বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী যশোরাঞ্চলের চাষিরা উল্লেখিত উফশী জাতের ধান দীর্ঘদিন ধরে আবাদ করে আসছেন। ইদানিং হাইব্রিড জাতের ধান চাষ শুরু হয়েছে। তবে, দীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় জাতের ধান চাষ করে আসছেন কৃষক। যশোরের চাষিরা উফশী জাতের ২৫, হাইব্রিড আট এবং স্থানীয় ১০ প্রকার ধান চাষ করেন।
গত মৌসুমে যশোরাঞ্চলে আমন ধানের উৎপাদন হয়েছিল হেক্টর প্রতি ২.৮৮ মেট্রিকটন। সেখানে এবার ২.৮৫ মেট্রিকটন উৎপাদন হয়েছে।
আমন ধান কম উৎপাদনের কারণ হিসেবে কৃষি বিভাগ বলছে মৌসুমের শুরুতে কোনো বৃষ্টি হয়নি। এ কারণে চাষি বাধ্য হন দেরিতে বীজতলা তৈরি করতে। একইসাথে রোপণও করেন অনেক দেরিতে। রোপণ করার পরও অনেকদিন বৃষ্টি হয়নি। এ কারণে চাষিকে ধান বাঁচাতে সেচ দিতে হয়েছিল। অবশ্য, মৌসুমের শেষের দিকে বেশকিছুটা বৃষ্টিপাত হয়। যে কারণে ফলন শেষ পর্যন্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। এ অবস্থায় আমনে যে ফলন হয়েছে তাতেই কর্মকর্তারা সন্তুষ্ট। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক এমদাদ হোসেন সেখ বলেন,‘আমন ধানের যে ফলন হয়েছে তা একেবারেই খারাপ না। যা হয়েছে তা সন্তোষজনক।’
তবে, কৃষক বলছে এবার আমন চাষে তারা মার খেয়েছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় ফলন অনেক কম হয়েছে। এ কারণে কিছুটা হলেও বেকায়দায় রয়েছেন তারা। কারণ যে পরিমাণ খরচ হয়েছে সেই তুলনায় তারা লাভবান হতে পারবেন না।    



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft