বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০
অর্থকড়ি
বিরামপুরের বাজারে ৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজ
মোঃ মাহমুদুল হক মানিক , বিরামপুর (দিনাজপুর) থেকে :
Published : Saturday, 16 November, 2019 at 5:44 PM
বিরামপুরের বাজারে ৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজবিরামপুরের খোলাবাজারে সর্বনিম্ন চালের মূল্যে ৩০ টাকা আর দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২০-২৩০ টাকা। সাধারন বাজারিদের জন্য ২৩০ টাকা মূল্যে পেয়াজ কিনতে হচ্ছে। ভ্যান চালক প্রভাস বলেন,  ৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১ কেজি পেয়াজ, এ অবস্থায় থাকলে খাওয়াই মুসকিল।
পিয়াজ মসলা জাতীয় উদ্ভিদ, প্রাচীনকাল থেকেই এর নানামুখী ব্যবহার হয়ে আসছে। মসলা জাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় এর রয়েছে ঔষুধি গুন এবং রসনা বিলাস খাবার তৈরিতে রয়েছে নানান ব্যবহার। বাংলাদেশের গ্রামীন জনপদের প্রতিটি ঘরে রমনীরা দৈনন্দিন খাবার তৈরি ও ভোজনাবিলাসদের জন্য পিয়াজ দিয়ে তৈরি করে মুখরোচক খাবার। আমরা মাছে ভাতে বাঙালী। দৈনন্দিন আহারে সবার প্রিয় ঝোল (রসালো) জাতীয় খাবার সবাই কমবেশি পছন্দ করে।
বাঙ্গালী ঝোল (রসালো) তরকারীতে অভ্যস্ত; তাই এখন তরকারীর ঝোল তৈরিতে পেঁয়াজের পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে হোটেল রেস্তোরায় কাঁচা পেঁপে ও মিষ্টি কদু। একারণে বাজাবে কদর বেড়েছে পেঁপে কদুর।শনিবার ১৬ নভেম্বর সরজমিনে বাজার ঘুরে দিনাজপুরের বিরামপুরে কৃষিনির্ভরশীল ও সিমান্তবর্তী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শবজি হাটে দোকান ঘুরে জানা জায়, দোকানীরা প্রতি কেজি পাতা পেয়াজ পাইকারী দর ৮০ টাকা খুচরা মূল্যে বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। ভারতীয় এলসি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে পাইকারী বাজারে প্রতি কেজি ১৯০ টাকা ও খুচরা বাজারে ২১০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ পাইকারী মুল্যে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা ও খুচরা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা মূল্যে।
 কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী হেলাল হোসেন, জানান, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে মিষ্টি কদু, পেঁপে, মুলা ও বাঁধা কপির দামও বেড়েছে । কারণ হিসেবে তারা বলেন, হোটেলসহ বিভিন্ন খাবারের দোকানে তরি-তরকারি রান্না করার জন্য পেঁয়াজের লাগামহীন মূল্যে দিশেহারা খাবার দোকানীরা বর্তমান পেঁয়াজের পরিবর্তে মিষ্টি কদু ও পেঁপে ব্যবহার করছেন। আর পিঁয়াজু তৈরী ও চটপটিসহ মুখরোচক খাবারের সাথে সালাদ হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে মুলা ও পেঁপে।
এদিকে, বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুর রহমান শুক্রবার ১৫ নভেম্বর বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে মূল্য তালিকা ও বিক্রি রশিদ দেখাতে না পারায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে গুনতে হয়েছে জরিমানা।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft