রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
আন্তর্জাতিক সংবাদ
ইসরায়েলি প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ সীমান্তে চলছে ভারতের নজরদারি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Monday, 4 November, 2019 at 8:01 PM
ইসরায়েলি প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ সীমান্তে চলছে ভারতের নজরদারিনিজেদের সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর অংশ হিসেবে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারকে এবার অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের সঙ্গে দেশটির স্থল, জল এবং আকাশসীমায় নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে পাহারায় এবার ইসরায়েলি টেদার ড্রোন এবং থার্মাল ইমেজারের ব্যবহার শুরু করেছে বাহিনীটি।
দৃশ্যত বিএসএফ সদস্যরা এখন সীমান্তে মোতায়েন না থেকে আড়ালে অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমেই অতি দক্ষতার সঙ্গে অঞ্চলগুলোতে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম ‘দ্য হিন্দুর’ প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশ সংলগ্ন ভারতের ধুবড়ি সেক্টরে নজরদারির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ইসরায়েল থেকে বিপুল সংখ্যক টেদার ড্রোন কিনেছে বিএসএফ। দেশটির মেঘালয় সীমান্ত থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কুচবিহার পর্যন্ত এ সেক্টরের বিস্তৃতি।
সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতে উড্ডয়নে সক্ষম প্রতিটি ড্রোনের মূল্য প্রায় ৩৭ লাখ রুপি। এতে রয়েছে সর্বোচ্চ দুই কিলোমিটারের মধ্যে দিনে এবং রাতে উন্নত ছবি তোলার ক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরা।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গসহ মোট পাঁচটি রাজ্যের প্রায় ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। যেখানে আসামের সঙ্গে থাকা ২৬৩ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১১৯ দশমিক ১ কিলোমিটার আবার নদী অংশ।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বিএসএফের গুহাটি ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল পীযূষ মোরদিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাধারণত রাতে পাচার সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো ঘটে থাকে। আমাদের দৃষ্টিসীমার আড়ালে থাকে এমন স্থানগুলো নজরদারির আওতায় আনা সম্ভব নয়। সর্বোচ্চ ১৫০ মিটার উপর থেকে অব্যাহতভাবে ছবি তুলতে সক্ষম টেদার ড্রোন এরই মধ্যে আমাদের সেই সীমাবদ্ধতাও ঘুচিয়ে দিয়েছে।’
বিএসএফ সদস্য আরও বলেন, ‘তদন্ত কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে ড্রোন এবং টেদার ড্রোনের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ ড্রোন মাত্র ৩০ মিনিট উড্ডয়নের পর ব্যাটারি পরিবর্তনের জন্য নামিয়ে আনতে হয় অথবা এটি ঝোড়ো বাতাসের কবলে হারিয়ে যেতে পারে। আমাদের ধুবড়ি সেক্টরে প্রায়ই এমন ঝোড়ো বাতাস বয়ে থাকে। যদিও অব্যাহত দমকা হাওয়া এসব টেদার ড্রোনের কাজে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না।’
সংশ্লিষ্টদের মতে, সীমান্তে টহলের ক্ষেত্রে বিএসএফ ড্রোন ছাড়াও বেশকিছু বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে। সেক্ষেত্রে মানুষ, প্রাণী এবং অন্যান্য বস্তুর চলাচল শনাক্ত করতে থার্মাল ইমেজার এবং মাটি ও পানির নিচে বিশেষ সেন্সর ব্যবহার করা হয়। যার অধিকাংশই ইসরায়েল থেকে আমদানি করা।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft