বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
পাবনায় ৩টি তক্ষক উদ্ধার
পাবনা প্রতিনিধি :
Published : Friday, 4 October, 2019 at 7:57 PM
পাবনায় ৩টি তক্ষক উদ্ধারপাবনার চাটমোহর উপজেলার ধূলাউড়ি গ্রাম থেকে ৩টি তক্ষক উদ্ধারের পর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের এফজি লালন উদ্দিন এবং উপজেলা বন কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুসের কাছে তক্ষকগুলো হস্তান্তর করেন চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেখ নাসীর উদ্দিন।
এর আগে গত সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ধূলাউড়ি কুঠিপাড়া গ্রামের শৈয়ব আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি কাঠের বাক্সে রক্ষিত অবস্থায় তক্ষক তিনটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত শৈয়ব।
পলাতক শৈয়ব আলী দীর্ঘদিন ধরে সিলেট ও চট্টগ্রাম থেকে গোপনে তক্ষক এনে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বিক্রি করতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শৈয়ব আলীর বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী আইনে থানায় প্রসিকিউশন মামলা দায়ের করা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি নাসীর উদ্দিন।
পাবনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর আমরা রাজশাহী বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগকে অবগত করি। এরপর শুক্রবার তাদের কাছে বন্যপ্রানী তিনটি হস্তান্তর করা হয়।
রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের এফজি লালন উদ্দিন জানান, আমরা তক্ষক তিনটি থানা পুলিশের কাছ থেকে বুঝে নিয়েছি। এরপর এগুলো রাজশাহী বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পূনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হবে। এরপর প্রাণী চিকিৎসকদের মাধ্যমে পরীক্ষা করে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়া হবে।
এ বিষয়ে পাবনার বন্যপ্রানী বিষয়ক সংগঠন নেচার এ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজার্ভেশন কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদন শাহ মো. হামিম বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, উদ্ধারকৃত প্রানীটি মূলত গেকোনিডি গোত্রের একটি গিরগিটি প্রজাতির বন্যপ্রানী। বাংলায় এটি তক্ষক, তক্ষ সাপ বা হুক্কা নামে পরিচিত। এর ইংরেজি নাম Tokay gecko। এরা সাধারণত ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই বন্যপ্রানী হিসেবে এটি ধরা ও ক্রয়-বিক্রয় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পুলিশের এই কর্মকাণ্ডকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মনিরুল এইচ খান বলেন, চড়া মূল্যে তক্ষক বিক্রি হয় এটা সম্পূর্ণ গুজব। একটি বিশেষ চক্র সারাদেশেই এই গুজবের মাধ্যমে বন্য এই প্রানীটি কেনা-বেচা করেন এবং লোভে পড়ে অনেক সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। বস্তুত এই প্রানীটির কোন মূল্যই নেই। তাই এই চক্রের থেকে বাঁচতে সচেতনতা প্রয়োজন।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft