শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০
জাতীয়
‘মশার ওষুধ কিনতে ঢাকার দুই সিটিতে পদে পদে দুর্নীতি’
কাগজ ডেস্ক :
Published : Wednesday, 25 September, 2019 at 8:20 PM
‘মশার ওষুধ কিনতে ঢাকার দুই সিটিতে পদে পদে দুর্নীতি’চলতি বছরে ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে মশক নিধনের ওষুধ কিনতে ঢাকার দুই সিটি সরকারি ক্রয় আইন অনুসরণ করেনি বলে দাবি করেছে ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, দুই সিটিই মশার ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে পদে পদে অনিয়ম-দুর্নীতি করেছে। এমনকি একই ওষুধ ঢাকা উত্তর সিটির চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি দামে ক্রয় করেছে দক্ষিণ সিটি।
বুধবার রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে টিআইবি।
সংবাদ সম্মেলনে ‘ঢাকা শহরে এডিশ মশা নিয়ন্ত্রণে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন টিআইবির গবেষক জুলকার নাইন ও মোস্তফা কামাল।
এ বছরের শুরু থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের খবর মিললেও জুলাইয়ের দিকে এসে প্রকট আকার নেয় মশাবাহিত রোগটি। তার মধ্যেই অভিযোগ আসে ঢাকার দুই সিটিতেই মশার ওষুধ কাজ করছে না। এরপর বিদেশ থেকে নতুন কিনতে উদ্যোগী হয় ঢাকার দুই সিটি কর্তৃপক্ষ।
টিআইবি বলছে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কীটনাশক কেনাসহ বার্ষিক পরিকল্পনায় অনিয়ম ছিল তাদের। দরপত্র পদ্ধতি, নথি ও দাখিলেও অনিয়ম দেখা গেছে। কীটনাশক কেনার আগে মাঠপর্যায়ে পরীক্ষায় অনিয়ম ও সীমাবদ্ধতা ছিল। মশক নিধন কার্যক্রমেও অনিয়ম দুর্নীতি আছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ডাকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের মাধ্যমে লিমিট এগ্রোপ্রোডাক্টের কাছ থেকে প্রতি লিটার কীটনাশক ৩৭৮ টাকায় সরাসরি কেনার কার্যাদেশ দেয়।’
‘একই প্রতিষ্ঠান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উন্মুক্ত দরপত্রে প্রতি লিটার কীটনাশক ২১৭ টাকায় দেয়ার প্রস্তাব করে। এ হিসাবে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ক্ষতি হয়েছে প্রতি লিটারে ১৬১ টাকা। অর্থাৎ ৪০ শতাংশ বেশি আর্থিক ক্ষতি করে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কীটনাশক কিনেছে।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘এডিশ মশা নিধনে মানহীন কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। ডেঙ্গুর প্রকৃত চিত্র চিহ্নিত, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দফতর এবং বিভাগের মধ্যে সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে লোক দেখানো অকার্যকর কার্যক্রম গ্রহণ এবং সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্য অংশীজনের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সীমাবদ্ধতা, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সারা দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ডেঙ্গু একটি বৈশ্বিক সমস্যা। আমাদের পার্শ্ববর্তী প্রায় সব দেশেই রয়েছে। জাতীয়ভাবে এটিকে মোকাবেলা করার জন্য সুচিন্তিত কৌশল ছিল না। যথাযথ গুরুত্ব দেয়া হয়নি। এতে লক্ষাধিক মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft