শনিবার, ০৬ জুন, ২০২০
সারাদেশ
পন্টুনের অভাবে কলাপাড়া-রাঙ্গাবালীর লঞ্চযাত্রীদের দুর্ভোগ
এইচ,এম,হুমায়ুন কবির, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) :
Published : Saturday, 7 September, 2019 at 6:33 PM
পন্টুনের অভাবে কলাপাড়া-রাঙ্গাবালীর লঞ্চযাত্রীদের দুর্ভোগ পটুয়াখালীর কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী উপজেলার লালুয়া-বড়বাশদিয়া ইউনিয়নে পল্টুন না থাকায় লঞ্চযাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের লালুয়াঘাট, উওর লালুয়া, বড়বাইশদিয়ার  গাইয়াপাড়া, টুঙ্গিবাড়ীয়া, ফেলাবুনিয়া, ১২ নম্বর, নিছকাটা, ডিগ্রিসহ অন্তত ছয়টি ঘাটে লঞ্চ যাতায়াত করে। কিন্তু কোনো ঘাটে টার্মিনাল না থাকায় লঞ্চগুলো পানির মধ্যে ভিরে। এসব কারনে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। প্রতিদিন ৪টি যাত্রীবাহী  একতলা লঞ্চ মৌডুবীর নিজকাটা থেকে ছেড়ে গলাচিপা ও কলাপাড়া যাতায়াত করে।     
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নদীতে যখন ভাটা থাকে তখন হাঁটু সমান কাদা পেরিয়ে লঞ্চে উঠতে হয়। আবার যখন জোয়ার আসে তখন কোমর সমান পানিতে নেমে লঞ্চে উঠতে হয়। এ সময় অসুস্থ্য ও বৃদ্ধ এবং শিশুদের লঞ্চে উঠতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিকল্প কোনো যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন এমন দুর্ভোগের মধ্যেই যাতায়াত করতে হয় এখানকার লোকজনকে।  
কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের উওর লালুয়া গ্রামের মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, লঞ্চ যোগে কলাপাড়া যেতে হলে পল্টুনের অভাবে আমাদেরকে প্রতিদিন কাদা পেড়িয়ে লঞ্চে উঠতে হয়। এতে বেশিরভাগ ছাত্রÑছাত্রী , অসুস্থ্য ও বৃদ্ধ এবং  শিশুদের লঞ্চে উঠতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের নিজকাটা এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী হাজী মো.আক্তার হোসেন গাজী বলেন, ঘাটে টার্মিনাল না থাকায় বাধ্য হয়ে নদীর চরে লঞ্চ ভোড়াতে। ফলে যাত্রীদের ওঠা নামায় কোনো সহায়তা দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। ঘাট গুলোয় টার্মিনাল দেয়া হলে যাত্রীদের দুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব। অবিলম্বে এ দিকে সদয় দৃষ্টি দেয়া একান্ত প্রয়োজন।
রাঙ্গাবালী উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো.এনামুল হক লিটু বলেন, সাগর সংলগ্ন হওয়ায় বর্ষা মওসুমে পল্টুন শিকল ছিড়ে ফেলে। এজন্য গাইয়াপাড়া দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সরকার আবার নিয়ে গেছে পল্টুন গাইয়াপাড়া থেকে। নিজকাটা ও কোড়াল্লা ঘাটে পল্টুন দিলে দিতে পারে সরকার ওই ঘাটে সমস্যা নেই।
এ ব্যাপারে বি আই ডল্বিউ কর্মকর্তা মো. খাজা সাদিকুর রহমান জানান, অভ্যন্তরিন স্থানীয় লঞ্চ ঘাট গুলোতে কোনো পল্টুন দেয়া হয়না। তার পর ও স্থানীয় লোক দরখস্ত করলে হেট অফিসে পাঠিয়ে দেখতে পারি । এ সমস্যা কথা জানাতে।  




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft