রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯
অর্থকড়ি
প্রতিশ্রুতি রাখেননি ট্যানারি মালিকরা
বকেয়া পাচ্ছেন না যশোরাঞ্চলের আড়তদাররা
কাগজ সংবাদ :
Published : Saturday, 7 September, 2019 at 6:25 AM
বকেয়া পাচ্ছেন না যশোরাঞ্চলের আড়তদাররাকোরবানি ঈদের পরপরই চামড়ার বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ট্যানারি মালিকরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়ীদের পাওনা টাকা পরিশোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। একই সাথে এফবিসিসিআই এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ কোটি পাওনা টাকা পরিশোধের তালিকাও নিয়েছিল। প্রতিশ্রুতি ছিল তিন ধাপে ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ করবে ট্যানারি মালিকরা। কিন্তু এ ঘোষণার প্রায় ১৫ দিন পার হলেও এখনও পর্যন্ত একটি টাকাও পাননি আড়তদাররা। তবে এখনও অনেক আড়তদার পাওনা টাকা পেয়ে চামড়া কিনবেন বলে অপেক্ষায় রয়েছেন।   
সম্প্রতি ট্যানারি মালিকদের পাওনা পরিশোধের ঘোষণার প্রতিশ্রুতিতেই চামড়া দিতে সম্মত হয় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কারণ এবারের কোরবানির ঈদের পর দেশের বৃহত্তম চামড়ার মোকাম রাজারহাটে বিক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল শূন্যের কোটায়। দরপতনের কারণেই বাজারে চামড়া নিয়ে আসেননি বলে জানান বিক্রেতারা। কোরবানি ঈদের পর যে হাট বসেছিল তাতে তিন থেকে চার হাজার পিচ চামড়া বেচাকেনা হয়। যা ব্যবসায়ীদের জন্যে হতাশাজনক ছিল বলে তাদের দাবি। ওই হাটে প্রতি পিচ গরুর চামড়া চারশ’ থেকে সাতশ’ টাকা আর ছাগলের চামড়া প্রতি পিচ ৩০ থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়। এরপর অনেকগুলো হাটে চামড়া কেনাবেচা হয়েছে, তবে তাতে সন্তুষ্ট না ব্যবসায়ীরা।
তবে, ট্যানারি মালিকদের পাওনা পরিশোধের ঘোষণার প্রতিশ্রুতিতেই চামড়া দিতে সম্মত হন ব্যবসায়ীরা। অথচ ওই প্রতিশ্রুতির প্রায় ১৫ দিন পার হলেও ব্যবসায়ীরা একটি টাকাও পায়নি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাওনা টাকা যদি না পান তাহলে তারা চামড়া ব্যবসা থেকে ছিটকে পড়বেন। কারণ আড়তদাররা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাকিতে চামড়া কিনেছেন। সেসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী টাকার জন্যে বর্তমানে তাগাদা দিচ্ছে।  
এ ব্যাপারে বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল বলেন, ঈদের পর থেকেই অল্প অল্প করে চামড়া বিক্রি হচ্ছে। আড়তদাররা তাদের চাহিদামতো চামড়া কিনতে পারছেনা অর্থের অভাবে। সম্প্রতি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়ীদের ২০ কোটি টাকা পাওনা পরিশোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্যানারি মালিকরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত একটি টাকাও দেননি। গত ৩১ আগস্ট এ ব্যাপারে ঢাকায় একটি সভা হয়েছে। কিন্তু সেখানে তেমন কোনো সমাধান হয়নি।
আলাউদ্দিন মুকুল আরও বলেন, ট্যানারি মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি আসলে কাঁচা চামড়া আড়তদার অ্যাসোসিয়েশন, এফবিসিসিআই ও ট্যানারি মালিক অ্যাসোসিয়েশনের যৌথসভার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft