রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯
জাতীয়
গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেছিল জিয়া : প্রধানমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক :
Published : Friday, 30 August, 2019 at 8:31 PM
গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেছিল জিয়া : প্রধানমন্ত্রীবিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশে সর্বপ্রথম গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় তিনি বলেন: শুধু আমাদের দলের লোকদের হত্যা করা হয়েছিলো এমন নয়, সেনাবাহিনীর অফিসার যারা একটা সময় জাতির পিতার ডাকে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে যুদ্ধ করেছিলো তাদেরকেও একে একে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো ওই খুনি জিয়াউর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন: ৭৫’র পর ১৯টা শুধু ক্যু-ই হয়েছে। সেনাবাহিনী-বিমানবাহিনীর শত শত অফিসারকে হত্যা করেছিলো। শুধু তাই না, সেনাবাহিনীর হাজার হাজার সৈনিককে হত্যা করা হয়েছিলো। অনেকে হয়তো ছুটিতে থেকে জয়েন করেছে তাদের ধরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অনেকে হয়তো জানতেও পারেনি তাদের কেন হত্যা করা হচ্ছে, ডিফেন্ড করার সুযোগ দেওয়া হয়নি; গুলি করে হত্যা করেছে-ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেছে।
‘শোনা যেত জিয়ার রহমান নাকি কাটা চামচ দিয়ে খেতে খেতেই মৃত্যুদণ্ডের ফাইলে সই করতেন। ঢাকা কেন্দ্রেীয় কারাগারে ওই সময়ে যারা কয়েদি ছিলো তারা বলতে পারবে এক-এক রাতে ৮ জন ১০ জন করে জোড়ায় জোড়ায় ফাঁসি দিয়েছে। তাদের কান্নায় চিৎকারে আকাশ ভারি হয়ে উঠতো। আর এখন সেই বিএনপি গুম, খুনের কথা বলে!’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলো দাবি করে সরকার প্রধান বলেন: অনেক বিএনপি নেতা বলার চেষ্টা করেন, বিএনপি তো তখন প্রতিষ্ঠাই হয়নি, কী করে বিএনপি খুনি হলো। কিন্তু বিএনপি যার হাতে জন্ম, সেই জিয়াই যখন খুনি এবং শুধু খুনিই নন, তিনিই ইনডেমনিটি জারি করে খুনিদের রক্ষা করেছিলেন এবং বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন।
তিনি যোগ করেন: তাদের চরিত্রগুলোই তো খুনের, যেটা দেখা গেছে ২১ আগস্টে। জিয়ার ক্ষমতা দখলকে উচ্চ আদালতে অবৈধ ঘোষণা করেছে। তাহলে তো বিএনপির জন্মই অবৈধ হয়ে যায়। যারা খুনিদের পুরস্কৃত করে, তারা খুনিদের দল হবে না কেন? এরা খুনির দল ছাড়া আর কী। তাদের জন্ম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে।
জিয়াউর রহমান খন্দকার মোশতাকের সহযোগি ছিলো দবি করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন: জীবনে কখনো কোনো ভয়ে ভীত হইনি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা বাস্তবায়ন করাই আমার সব সময়ের লক্ষ্য থেকেছে। আপনার একবার চিন্তা করে দেখেন, আমার বাবা মা ভাই বোনদের হত্যা করা হয়েছে; তাদের কোনো বিচার হয়নি, ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছিল। তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছিল। এটা ঠিক আমার বাবার ক্যাবিনেট মিনিস্টার থেকে অনেকেই এটার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের সহযোগি ছিল ওই জিয়াউর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন: জিয়া যে তাদের একান্ত সহযোগি এটাতে সন্দেহ থাকার কোনো কথা নেই। কারণ যাকে সবথেকে বিশ্বস্ত মনে করে তাকেই সেনাপ্রধান করা হয়। খন্দকার মোশতাক যখন নিজেকে অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে তখন জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান হিসেবে বেছে নিয়েছিল। জিয়াউর রহমান যদি এই ষড়যন্ত্রের সাথে লিপ্ত না থাকতো তাহলে মোশতাক কখনোই তাকে সেনাপ্রধান করত না।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft