বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯
জাতীয়
জিয়া ও এরশাদ অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী : প্রধানমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক :
Published : Friday, 16 August, 2019 at 8:11 PM
জিয়া ও এরশাদ অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী : প্রধানমন্ত্রীআওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়া ও এরশাদ অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী। দেশের আদালত থেকে এটা অনেক দিন পর স্বীকৃতি পেয়েছে। তাদের আর রাষ্ট্রপতি বলা যায় না।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের জিয়াউর রহমান মন্ত্রী বানিয়েছিলেন এমন কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধান লঙ্ঘন করে জিয়া ক্ষমতায় দখল করেছিল। ’৭৫ সালের পর থেকে এদেশে ১৯টা ক্যু হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, যারা আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করতো, তারাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে খুন করে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এদেশের স্বাধীনতা চায়নি, বাংলা ভাষায় এ দেশের মানুষ কথা বলুক তা চায়নি; তারাই পঁচাত্তর সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে পঁচাত্তরের পরে স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় এসে দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যায়।
শেখ হাসিনা বলেন, যখন তারা বাবাকে প্রথমে হত্যা করে। আমার মা জানতেন ওরা বাবাকে হত্যা করেছে, তবুও আমার মা তাদের কাছে জীবন ভিক্ষা চাননি। আমার মা ওদেরকে বলেছিলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছো সুতরাং আমাকেও হত্যা করো। এভাবেই সবাইকে হত্যা করার পর সবশেষে হত্যা করা হয় নিষ্পাপ রাসেলকে।
এই হত্যা প্রথমে সবাই ভেবেছিলেন একটি পরিবারের হত্যা। কিন্তু না, পরে সবাই বুঝতে পেরেছে একটি রাষ্ট্র চেতনাকে হত্যা করা হয়েছে। ১৫ আগস্টের পর তারা এই দেশকে ইসলামিক রিপাবলিক করেছিল। পরে তারা আর রাখতে পারেননি।
হত্যাকারীরা তার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান আমাদের পরিবারে ঘনঘন আসতো এবং আসার সময় খালেদা জিয়াকে সাথে নিয়ে আসতেন যাতে উপরে ওঠে মায়ের সাথে গল্প করতে পারেন। মেজর ডালিম, মোস্তাক আহমেদ ওরা সবসময় আমাদের বাসায় আসতো।
বহু বছর পর হাইকোর্ট রায় দিয়েছে, অবৈধ ক্ষমতা দখল করা জিয়া ও এরশাদের শাসনকালকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে তারা এখন আর রাষ্ট্রপতি নয় বরং তারা অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী।
জিয়ার শাসনকালে দেশকে উন্নত না করে বরং দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র পরিণত করতে চেয়েছিল যাতে সবার কাছে প্রমাণ করতে পারে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়া আমাদের ভুল ছিল। এর পরে আবারও ২০০০ সালে উন্নয়ন থেমে যায়।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর এই দেশকে উন্নত করতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখন আমরা সব দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থান রয়েছি। আমরা প্রমাণ করেছি আমরা স্বাধীন হয়ে আমরা এই উন্নত করতে পেরেছি।
বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়ন করতে জনগণের জীবন যাত্রার মান উন্নত করতে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমি সকল কষ্ট ব্যর্থ রেখেও জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বলেছিলেন রক্ত দিয়ে হলেও এই দেশকে স্বাধীন করবো, আজকের দিনে পিতা তোমায় কথা দিলাম তোমার রক্তের ঋণ তোমার সোনার বাংলা নির্মাণ করেই আমরা শোধ করব।
এর আগে আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৪৮ সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত তার জীবনের প্রায় ১৩টি মূল্যবান বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। আমি তাকে কাছ দেখেছি বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করতে কতটা নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন। কতটা কষ্ট করেছেন।
সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জর্জ ওয়াশিংটনের দেশ, মার্টিন লুথারের দেশ এবং বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু টুড্রোর পুত্র বর্তমানে কানাডায় ক্ষমতায় রয়েছে। অথচ আমরা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফেরত আনতে পারছি না।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft