রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯
আন্তর্জাতিক সংবাদ
বিক্ষোভ দমনে হংকংয়ে ঢুকছে চীনা সেনা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Wednesday, 14 August, 2019 at 9:41 PM
বিক্ষোভ দমনে হংকংয়ে ঢুকছে চীনা সেনাহংকংয়ের মূল শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের শেনঝেন শহরে মোতায়েন হয়েছে চীনা আধাসামরিক বাহিনী। চীনা সংবাদমাধ্যমে সে ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। অশান্ত হংকংয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংযত পথে এগোতে হবে—বেইজিংকে দেওয়া জাতিসংঘের এই হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত থেকে পিছায়নি চিন।
‘শেনঝেন বে স্পোর্টস সেন্টার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বাইরে সার সার ট্যাঙ্ক দাঁড়িয়ে থাকার ভিডিয়ো প্রকাশ হয়েছে। যা দেখে অনেকেরই অনুমান, বড় ধরনের কোনও অভিযান শুরু হতে চলেছে।
চীনা সংবাদপত্রের দাবি, ‘বিদ্রোহ, দাঙ্গা, জঙ্গি হামলায় সশস্ত্র পুলিশের ব্যবহার আইনসম্মতভাবেই হচ্ছে। সোমবার থেকেই বেইজিং বলতে শুরু করেছে, হংকংয়ের প্রতিবাদের মধ্যে সন্ত্রাসের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর আগেও বিভিন্ন অহিংস বিক্ষোভে সন্ত্রাসের প্রভাব খুঁজে পাওয়ার যুক্তি দেখিয়ে সামরিক সক্রিয়তা বাড়িয়েছে চীন।
তিব্বত এবং শিনজিয়াংয়ের মতো ছোট ছোট অঞ্চলই তার প্রমাণ। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত হাইকমিশনার মিশেল বাচেলে বলছেন, ‘হংকংয়ের প্রতিবাদের সঙ্গে সন্ত্রাসকে মেলালে চী। এ ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলবে।’
হংকং হস্তান্তরের আগে ১৯৯৭-এ ব্রিটেনের গভর্নর ছিলেন ক্রিস প্যাটেন। তিনিও সেনা মোতায়নের বিরোধিতা করে বলেছেন, ‘সেনা নামালে চীন এবং হংকং— দু’জায়গাতেই বিপর্যয় নামবে।’
হংকংয়ের বেইজিংপন্থী নেত্রী ক্যারি ল্যাম বলেন, টানা ১০ সপ্তাহ ধরে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে যে জায়গায় পৌঁছেছে হংকং শহর, তাতে ফিরে তাকানোর পরিসর নেই।
মঙ্গলবার আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান ল্যাম। পুলিশের বিক্ষোভ দমন নিয়ে আপত্তি করেন সাংবাদিকেরা। তাতে ল্যাম বলেন, ‘পরিস্থিতি বুঝে তাৎক্ষণিক ভাবে নানা সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবু চেষ্টা করা হচ্ছে সেনাবাহিনীর ব্যবহার যতটা কম করা যায়।’
ল্যামের কথায় অবশ্য শান্ত হননি সাংবাদিকরা। তারা পাল্টা প্রশ্ন ছোড়েন, ‘বিবেক বলে কি আপনার কিছু আছে?’ ক্ষুব্ধ আর একজন বলে ওঠেন, ‘বহু নাগরিক জানতে চাইছেন, আপনি কবে মারা যাবেন?’ ল্যাম বলে যান, ‘হিংসা থামানো গেলেই এই অশান্ত পরিস্থিতি শেষ হবে। আমি হংকংয়ের প্রধান হিসেবে দেশের অর্থনীতি পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব নিচ্ছি।’
তারপরও বিক্ষোভ থামেনি। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মঙ্গলবার বাতিল হয়েছে সব বিমান। হাজার হাজার বিক্ষোভকারী মূল টার্মিনাল থেকে বেরিয়ে আসার হলে জমায়েত করেন। সেখানে কড়া প্রহরা থাকা সত্ত্বেও উঠে যাননি কেউই। সূত্র: আনন্দবাজার




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft