শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯
আন্তর্জাতিক সংবাদ
পাকিস্তান ও চীন অধিকৃত কাশ্মিরও ভারতের : অমিত শাহ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Tuesday, 6 August, 2019 at 8:45 PM
পাকিস্তান ও চীন অধিকৃত কাশ্মিরও ভারতের : অমিত শাহজম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার নিয়ে তোলপাড় চলছে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে। মঙ্গলবার লোকসভায় জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল পেশ হতেই উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। ঠিক যেমনটা সোমবার রাজ্যসভায় দেখা গিয়েছিল।
কংগ্রেসের দাবি, জম্মু-কাশ্মীরের পুনর্গঠন নিয়ে সেখানকার বিধানসভায় কোনো আলোচনা না করে একতরফাভাবে বিল আনা হচ্ছে, যা অনৈতিক। অমিত শাহের অবশ্য পাল্টা দাবি, রাষ্ট্রপতির ৩৭০ অনুচ্ছেদ খারিজের ক্ষমতা রয়েছে। কংগ্রেস আমলেও জম্মু-কাশ্মীরে দু’বার রাষ্ট্রপতির অধিকার প্রয়োগ করা হয়েছিল।
এদিন লোকসভায় পেশ হয় জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল। শুরুতে হয় বিতর্ক। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, ‘নিয়ম ভেঙে জম্মু-কাশ্মীর ভাগ করা হচ্ছে। সিমলা চুক্তি ও লাহোর চুক্তি সত্ত্বেও কীভাবে এটা অভ্যন্তরীণ বিষয় হল? ওই দুই চুক্তি দ্বিপাক্ষিক ছিল। জম্মু-কাশ্মীরকে কয়েদখানা বানিয়ে দেওয়া হয়েছে’। এর পাল্টা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রশ্ন তোলেন, ‘কোন নিয়ম ভাঙা হয়েছে?’ এর পর আরও যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, ‘সংবিধানে জম্মু-কাশ্মীরকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের সংবিধানেও একই কথার উল্লেখ রয়েছে। তাই জম্মু-কাশ্মীরে আইন প্রণয়নে কোনো বাধা নেই। জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যে পাক অধিকৃত কাশ্মীরও রয়েছে। আকসাই চীন ও ভারতের অংশ। রাষ্ট্রপতির ৩৭০ ধারা বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে। কংগ্রেসের সময়েও দু’বার রাষ্ট্রপতি নিজের অধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। সেই ক্ষমতা বলেই ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধান অনুসারেই জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমার আশা, জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল লোকসভায় পাশ হবে।’
এরপর কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারি বলেন, ‘সংবিধানে বলা হয়েছে, কোনো রাজ্যকে ভাঙতে গেলে বা সীমানা বিন্যাস করতে গেলে সেখানকার বিধানসভায় আলোচনা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মানুষের রায়ও নিতে হবে। কিন্তু, জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা এখন নেই, রাষ্ট্রপতি শাসন জারি রয়েছে। অথচ, সংসদকে জম্মু-কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ স্থির করতে বলা হচ্ছে। এতে আমি খুব অবাক। তেলঙ্গানা রাজ্য় তৈরির আগে অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় এ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। ইউপিএ সরকার কোনো অসাংবিধানিক কাজ করেনি’।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft