অর্থকড়ি
ঈদকে সামনে রেখে সেন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা সক্রিয় : পেঁয়াজের বাজার দ্বিগুণ
নওগাঁ প্রতিনিধি :
Published : Sunday, 13 August, 2017 at 7:32 PM
ঈদকে সামনে রেখে সেন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা সক্রিয় : পেঁয়াজের বাজার দ্বিগুণ আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে সেন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক রকম বেড়ে গেছে। দুসপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ২০ থেকে ৩০ টাকা। আশঙ্কা করা যাচ্ছে এভাবে অন্যান্য মসলার দামও বাড়তে শুরু করবে। কুরবানির ঈদের আগে মসলার বাজার নিয়ন্ত্রণে এখন থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগী হতে হবে। দুসপ্তাহ আগেও ছিল অন্তত ২০ টাকা কম। হঠাৎ এ দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বন্যায় আড়তে পেঁয়াজ নষ্ট হওয়া, মজুদ কমে যাওয়া, ভারতীয় বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং কুরবানির ঈদ সামনে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরির কথা বলছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ ভুক্তবোগীরা বলছেন অন্য কথা। এক শ্রেণীর সেন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরী করে পেঁয়াজের ঝাজ বৃদ্ধি করেছে। তারা বলছে গত দু সপ্তাহ আগে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৫ থেকে ১৬ টাকা দেশীয় পেঁয়াজ ২০ থেকে ২৪ টাকা। আজকের বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা এবং দেশীয় প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে বিক্রেতারা বলেন, এটা সত্য, পণ্যের দর এতটা বৃদ্ধির মতো কোনো যুক্তির কিছু ঘটেনি। কেন বেড়েছে আমরাও বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হয়েছে।
কুরবানির ঈদ সামনে রেখে পেঁয়াজ-মসলার দাম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ এখন থেকেই সরকার ও সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। প্রতি বছরই দেখা যায়, ঈদ-কুরবানি এলে বাণিজ্যমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের কর্তাব্যক্তিরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। ব্যবসায়ীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, ব্যবসায়ীরাও অভয় বাণী শোনান কিন্তু বাস্তবে এর সুফল পাওয়া যায় সামান্যই। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কাছে যেন সরকার অসহায়। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা এ চক্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী বলে সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। এরা ইচ্ছেমতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করে অন্যায্যভাবে বিপুল অঙ্কের মুনাফা লুটে নিচ্ছে অনায়াসে। এর রাশ টানা দরকার। এর জন্য সরকার ও সমাজের সচেতন দায়িত্বশীল মহলকে ভূমিকা রাখতে হবে। সিন্ডিকেটবাজি ঠেকাতে হবে। বাজার মনিটরিং জোরদার করতে হবে। এটা সত্যি যে, বাজার পরিস্থিতি পাল্টানোর জন্য খুবই প্রয়োজন বিক্রেতাদের অসৎ, লোভী ও প্রতারণামূলক মানসিকতার পরিবর্তন। তবে এই পরিবর্তন কবে ঘটবে তার জন্য অপেক্ষা করে নিষ্ক্রিয় বসে থাকলে চলবে না।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft