দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
বাঁওড় নিয়ে দ্বন্দ্বে মণিরামপুরে নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতীমা ভাঙচুর
কাগজ সংবাদ :
Published : Sunday, 13 August, 2017 at 12:32 AM
বাঁওড় নিয়ে দ্বন্দ্বে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের রাজবাড়ী রামপুর সার্বজনীন পূজা মন্দিরের আসন্ন দুর্গা পূজার জন্য নির্মিত প্রতীমা ভাঙচুর করেছে স্থানীয় একটি পক্ষ। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মণিরামপুরের মশ্মিমনগর ইউনিয়নের রাজবাড়ী এলাকার মালোপাড়ার মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জামাল-আল আবু নাসের, ওসিসহ পুলিশ কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুরের মশ্মিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান আবুল হোসেন স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, ঝাঁপা বাঁওড় নিয়ে ঝাঁপা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি ও সোনার বাংলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির মধ্যে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্ব রয়েছে। ঝাঁপা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক সচিব এনআই খানের দুই ভাই হাবিবুর রহমান হাবিব খান ও কাবিল খান পক্ষ। আর সোনার বাংলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নেতা যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস। এনিয়ে উচ্চ আদালতে মামলাও চলছিলো। মামলায় হাবিব-কাবিল পক্ষ বৃহস্পতিবার মামলায় জিতে গেছে এমন প্রচারণা থেকে শুক্রবার বিকেল থেকে বাওড় আয়ত্তে নিতে জড়ো হয়। এ পক্ষটি রাতে সশস্ত্র মহড়া দেয়। এক পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের প্রধান এলাকা মালোপাড়ায় হামলা করে। সেখানে থাকা একটি মন্দিরের প্রতীমার হাত, গলা ভাংচুর করা হয়। এ খবর শুনে শনিবার দুপুরের দিকে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। একই তথ্য দিয়ে একই ইউনিয়নের তিন ওয়ার্ড মেম্বার মিজানুর রহমান কাজী বলেন, এ ঘটনায় মালোদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মনিরামপুর থানার ওসি মোকারম হোসেন বলেন, এটা কোন সাম্প্রদায়িক ঘটনা না। ঝাঁপা বাঁওড় নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতীমা ভাঙচুর করা হয়েছে। রাতে ভাঙচুর করা হয়েছে, তাই কে বা কারা ভাঙচুর করেছে সেটা তারা নিশ্চিত না।
ওসি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালত ঝাঁপা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির পক্ষে রায় দেয়। এরআগে সোনার বাংলার সদস্যরা সেটা ভোগ দখল করতো। রায় পেয়ে ঝাঁপা মৎস্যজীবী সমিতি শুক্রবার বিকেলে বাঁওড়ে না নামতে মাইকিং করে। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। স্থানীয়রা দাবি করেছে, রাতে নাকি আবারও জড়ো হয় ঝাঁপা মৎস্যজীবী সমিতির লোকজন এবং তারা মন্দির ভাঙচুর করে। আর ঝাঁপা সমিতির লোকজনের ভাষ্য, তাদের ফাঁসানোর জন্য প্রতিপক্ষরা মন্দির ভাংচুর করেছে। এভাবে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করা হচ্ছে।
এবিষয়ে ঝাঁপা বাওড় সমবায় সমিতির পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া হাবিবুর রহমান খান বলেন, সোনার বাংলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি আদালতে হেরে গিয়ে এসব করছে। সোনার বাংলার পক্ষের ছাত্রলীগ নেতা সুব্রত মন্দির ভাঙচুর করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft