স্বাস্থ্যকথা
৩ গুণ অন্ধত্ব ‘বাড়বে’ চার দশকে
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 7 August, 2017 at 8:31 PM
৩ গুণ অন্ধত্ব ‘বাড়বে’ চার দশকে    আগামী চার দশকে বিশ্বে অন্ধ মানুষের সংখ্যা বেড়ে তিনগুণ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।
স্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নাল ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তারা বলছেন, গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে চোখের চিকিৎসার উন্নতি ঘটাতে না পারলে অন্ধ মানুষের সংখ্যা এখনকার ৩ কোটি ৬০ লাখ থেকে বেড়ে ২০৫০ সাল নাগাদ সাড়ে ১১ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকাই অন্ধের সংখ্যা বাড়ার পেছনে বড় কারণ।
অন্ধত্বের হার ও চোখের সমস্যা সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ এশিয়া ও সাব সাহারান আফ্রিকায়। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অনুপাতে চোখের জটিলতায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কমে এলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণদের সংখ্যা বাড়ায় সমস্যার ব্যাপকতা বাড়ছে।
আগামীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে গবেষকদের আশঙ্কা।
অন্ধত্বের শিকার
দক্ষিণ এশিয়ায় এক কোটি ১৭ লাখ মানুষ
পূর্ব এশিয়ার ৬২ লাখ মানুষ
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৩৫ লাখ মানুষ
সাব-সাহারান আফ্রিকার মোট জনসংখ্যার ৪ শতাংশের বেশি মানুষ
পন্ডিম ইউরোপের মোট জনসংখ্যার প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ
ল্যানসেট গ্লোবালে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, বিশ্বের ১৮৮টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে ২০ কোটির বেশি মানুষের মধ্যে মাঝারি থেকে গুরুতর মাত্রায় চোখের সমস্যা পেয়েছেন গবেষকরা। ২০৫০ সালের মধ্যে এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫৫ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে তাদের আশঙ্কা।
নিবন্ধের প্রধান লেখক অ্যাংলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রুপার্ট বোর্নি বলেন, “দৃষ্টি সামান্য ঝাপসা হয়ে এলেও একজন মানুষের জীবনে যথেষ্ট বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
“উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বিষয়টি তাদের স্বাধীনতা সীমিত করে দিতে পারে ...  তাদের অনেকেই আর চোখের সমস্যার কারণে গাড়ি চালাতে পারেন না।”
আগামী দিনের ঝুঁকি কমাতে চোখে কৃত্রিম লেন্স বসানোর মতো চিকিৎসায় বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি যথাযথ চশমার সহজপ্রাপ্যতা নিন্ডিত করার ওপর জোর দিতে বলছেন গবেষকরা।
বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধে কাজ করা দাতব্য সংস্থা সাইটসেভারস বলছে, চোখের লেন্স ঝাপসা হয়ে যাওয়ায় তা প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হবে- এমন অবস্থা দিন দিন বাড়ছে।
এ সংস্থার সদস্য ইমরান খান বিবিসিকে বলেন, “বয়স্ক মানুষ ও দীর্ঘদিন রোগে ভোগা মানুষের সংখ্যা বাড়ায় দরিদ্র দেশগুলোতে অন্ধত্বের সমস্যাও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
চোখের সমস্যায় টেকসই সেবা দিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আরও শল্যবিদ ও নার্সের পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের কথা বলেন তিনি।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft