তথ্য ও প্রযুক্তি
সিটিসেলের মালিকসহ ৮ জনের নামে সমন
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 7 August, 2017 at 7:23 PM
সিটিসেলের মালিকসহ ৮ জনের নামে সমনপ্রায় দেড় কোটি টাকার বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করার অভিযোগে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানসহ সিটিসেলের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে আদালত। এই মোবাইল ফোন কোম্পানির পাঁচ কর্মীর করা পাঁচটি আলাদা মামলায় সোমবার ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান তাবাস্সুম ইসলাম এই আদেশ দেন। আদেশে মামলার বিবাদীদেরকে আগামি ৪ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বাদী পক্ষের আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম জানিয়েছেন। সিটিসেলের মূল কোম্পানি নাম প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিবিটিএল) চেয়ারম্যান মোরশেদ খানের সঙ্গে তার স্ত্রী নাছরিন খান ও কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরীকেও মামলায় বিবাদী করা হয়েছে। অন্য বিবাদীরা হলেন- পিবিটিএলের পরিচালক আসগর করিম, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) তারিকুল হাসান ও প্রভিডেন্ট ফান্ট ট্রাস্টের সদস্য মাহফুজুর রহমান, নিশাত আলী ও এবি সরকার। আইনজীবী তানজিম বলেন, বিবাদীরা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে বেতন বন্ধ করে দেন সিটিসেলের পাঁচ কর্মীর আলাদা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। বাদীরা হলেন- টিপু সুলতান, কাজী রুহুল কুদ্দুস, হাসান মাহমুদ, সাদেক মিলন ও একেএম এহসানুল আজাদ সিটিসেল অ্যামপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আশরাফুল করিম জানান, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যচুইটি, উৎসব ভাতাসহ বয়েকা পরিশোধের দাবিতে মাসখানেক আগে ১৫ জন কর্মীর পক্ষ থেকে উকিল নোটিস পাঠানো হয়। তিনি বলেন, সিটিসেলে সর্বশেষ কর্মী ছিল ৬৩০ জনের মতো। তাদের মধ্যে ২৫০ জন কিছু বকেয়া পেয়েছেন, বাকিরা কিছুই পাননি। তারাই প্রথমে লিগ্যাল নোটিস পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় মামলা হল। মোরশেদ খান, তার স্ত্রী ও মেহবুব চৌধুরীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সিটিসেলের নামে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সাড়ে তিনশ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স¤প্রতি একটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দেনার দায়ে বন্ধ হওয়ার মুখে স¤প্রতি সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনায় তরঙ্গ ফিরে পেয়েছে টেলিকম অপারেটর। টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির পাওনা পৌনে পাঁচশ কোটি টাকা না দেওয়ায় গতবছর ২১ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আংশিক দেনা পরিশোধের পর আদালতের নির্দেশে ১৭ দিন পর সিটিসেলের সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হলেও এ বছর ১১ জুন আবারও তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটে বিটিআরসির বিরুদ্ধে আদালত অবমানানার অভিযোগ তুললে আপিল বিভাগ তরঙ্গ ফেরতের আদেশ দেয়।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft