দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
র‌্যাব যশোর ও ঝিনাইদহ ইউনিটের অভিযান
মাদক ব্যবসায়ী বরখাস্তকৃত সহকারি উপ-পুলিশ পরিদর্শক জসিমউদ্দীনসহ পাঁচজন গ্রেফতার
চৌগাছা (যশোর) অফিস :
Published : Tuesday, 4 July, 2017 at 12:42 AM
মাদক ব্যবসায়ী বরখাস্তকৃত সহকারি উপ-পুলিশ পরিদর্শক জসিমউদ্দীনসহ পাঁচজন গ্রেফতারযশোরের চৌগাছার বহুল আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী বরখাস্তকৃত সহকারি উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এ এস আই) জসিমউদ্দীনকে তার চারসহযোগীকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে।
র‌্যাব-৬ এর যশোর ও ঝিনাইদহের দুটি ইউনিট যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
রোববার দিনগত রাতে র‌্যাব-৬ এর যশোর ও ঝিনাইদহের দুটি ইউনিট গোপন সংবাদে আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী বরখাস্তকৃত পুলিশের এ এস আই জসিমউদ্দীনের চৌগাছা বাজারস্থ ফারহানা টাওয়ার ঘিরে ফেলে। প্রায় তিন ঘন্টা ওই বিল্ডিং র‌্যাব সদস্যদের দখলে ছিল। সোমবার ভোরে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ফারহানা টাওয়ারের তৃতীয় তলা থেকে আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী জসিমউদ্দীনকে গ্রেফতার করে। সে উপজেলার জামলতা গ্রামের মহিউদ্দীনের ছেলে। একই সাথে তার সহযোগী ইউনুচ আলীসহ চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত ইউনুচ আলী লস্কারপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। এছাড়া বাকি তিনজনের পরিচয় জানা যায়নি। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। সূত্র আরো জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর তাদেরকে র‌্যাব-৬ ঝিনাইদহ ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদেরকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে যশোর র‌্যাব নিশ্চিত করেছে।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত জসিমউদ্দীনের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।
একাধিক সূত্র জানায়, ১৯৯৬/৯৭ সালে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকুরীতে যোগদান করেন বর্তমানে বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্য জসিমউদ্দীন। কয়েক বছর পর তার সহকারি উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এ এস আই) পদে পদন্নোতি হয়। সিংহঝুলী ইউনিয়নের জামলতা গ্রামে তার বাড়ি। পিতা মহিউদ্দীন ইউনিয়ন বিএনপির অন্যতম নেতা। পুলিশের চাকুরীর কারনে সে খুলনার বিভিন্ন থানা ও ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন থানায় তার বদলী হয়। কিন্তু পুলিশের এ এস আই হওয়া সত্ত্বেও সে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায় সে খুলনায় চাকুরী করা অবস্থায় অবৈধ সোনার একটি বড় চালান আটক করে। সেখানে কিছু অংশ সোনা জমা দিয়ে পুরো সোনার চালান হজম করার চেষ্টা করে। বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে তাকে বরখাস্ত করেন। বরখাস্ত হবার পর জসিমউদ্দীন এলাকায় ফিরে আসে। এলাকায় ফিরে এসেই সিনেমাহল সংলগ্ন যশোর রোড়ের পাশে প্রায় দেড় কোটি টাকার জমি কেনেন। সেখানে তিনি বিলাসবহুল বহুতল ভবন নির্মাণ করেন। ওই ভবনের নাম দেয়া হয় ফারহানা টাওয়ার। প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ফারহানা টাওয়ার নির্মানের ফলে তাকে নিয়ে চৌগাছা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।  
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্য এম মসিউর রহমান জানান, র‌্যাবের পক্ষ থেকে আমাদের আগেই প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। আমরা সেভাবেই ভোরে উপস্থিত ছিলাম। বরখাস্তকৃত জসিমের নামে ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলায় মামলা রয়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft