জাতীয়
মানহানির মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
কাগজ ডেস্ক :
Published : Thursday, 20 April, 2017 at 6:46 PM
মানহানির মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলমুক্তিযুদ্ধের দায়িত্ব কলঙ্কিত, বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকাকে অপমানিত করার অভিযোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মানহানি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে তেজগাঁও থানা পুলিশ। তবে এ মামলা থেকে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদিন মেজবাহ বিষয়টি জানিয়েছেন। মেজবাহ জানান, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও থানার ওসি এ বি এম মশিউর রহমান এ প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিচারক ২২ মার্চ প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে আগামি ১১ জুন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন অনেক আগে দেওয়া হলেও বিষয়টি গতকাল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে জানাজানি হয়। প্রতিবেদনে থেকে জানা যায়, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করলে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। ওই মন্ত্রিপরিষদে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রকাশ্য এবং আত্মস্বীকৃত পাকিস্তানের দোসর হিসেবে নিজেদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করেছিল, সেই জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির, আলবদর, আলশামস কমিটির সদস্যদের মন্ত্রী ও এমপি বানান। পরবর্তী সময়ে ওই ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মৃত্যুদন্ডসহ বিভিন্ন দন্ডে দন্ডিত হয়েছেন। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মুত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে। কিন্তু তাঁরা ক্ষমতায় থাকাকালে মন্ত্রিত্বের সুবিধা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকা তাঁদের বাড়ি এবং গাড়িতে ব্যবহার করেছেন। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্বাধীনতাবিরোধী ব্যক্তিদের তাঁর মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব প্রদান করে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত পতাকাকে ওই স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে তুলে দিয়ে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক জনগণের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে, প্রচলিত আইনে মৃত ব্যক্তির বিচারের সুযোগ না থাকায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অব্যাহতির প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে। মামলার আরজি থেকে জানা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর ৭ নভেম্বর সিপাহি বিপ্লবের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দখল করেন। জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও তিনি মুক্তিযুদ্ধের দায়িত্ব কলঙ্কিত করেছেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলে জিয়াউর রহমান তাঁকে হুমকি ও অবরুদ্ধ করে রাখেন। এতে জিয়াউর রহমান মানহানিকর অপরাধ করায় তাঁকে মামলায় মরণোত্তর আসামি করা হয়। গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলামের আদালতে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft