সারাদেশ
সাংবাদিক শিমুলের মাথার গুলির সঙ্গে মেয়রের শটগানের গুলির মিল
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা :
Published : Monday, 20 March, 2017 at 4:04 PM
সাংবাদিক শিমুলের মাথার গুলির সঙ্গে মেয়রের শটগানের গুলির মিলসাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুলের মাথায় পাওয়া গুলির সঙ্গে সিরাজগঞ্জ পৌরমেয়র হালিমুল হক মিরুর জব্দকৃত শটগানের গুলির মিল রয়েছে। পৌর মেয়রের শটগান ও সাংবাদিকের মাথার গুলির লেডবলের ব্যালিস্টিক পরীক্ষার প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। সোমবার প্রতিবেদনটি শাহজাদপুর থানায় এসেছে।
শিমুল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার সকালে প্রতিবেদনটি শাহজাদপুর থানায় এসেছে।’
তবে, প্রতিবেদনটির ফটোকপি আপাতত দিতে রাজি হননি তিনি।
শাহজাদপুর আমলী আদালতের পিপি অ্যাড. আবুল কাশেম জানান, ব্যালিস্টিক প্রতিবেদনের একটি কপি ক’দিন আগে আদালতে জমা পড়েছে। আদালত সূত্রে জানতে পেরেছি,‘শিমুলের মাথায় প্রাপ্ত লেডবল মেয়রের জব্দৃকত শটগানের কাতুর্জের লেডবলের সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে বলে ব্যালিস্টিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটির কপি সংগ্রহে আমি ইতিমধ্যেই আদালত বরাবর আবেদন করেছি। কপি হাতে পেলে বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
তবে, আদালতের জিআরও আতাউর রহমান বলেন, ‘ব্যালিস্টিক প্রতিবেদনে শিমুলের মাথায় পাওয়া লেডবলটি সঙ্গে মেয়রের জব্দকৃত শটগানের কাতুর্জের হুবহু মিল আছে বলে উল্লেখ থাকলেও লেডবলটি যে মিরুর শটগান থেকেই ছোড়া তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ নেই। বিষয়টি হয়তো বিচারক মহোদ্বয় এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও ভাল করে বুঝতে পারবেন।’
প্রসঙ্গত, শাহজাদপুর পৌরসভার একটি সংস্কার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে জেরে পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুর দু’ভাই মিন্টু ও পিন্টু গত ২ ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগ নেতা বিজয় মাহামুদকে মেয়রের বাড়িতে আটকে রেখে তার হাত-পা ভেঙে দেয়। খবর পেয়ে বিজয়কে উদ্ধার করতে এলে স্থানীয় সরকারী দলীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের সময় মেয়র মিরু তার লাইসেন্সকৃত শটগান দিয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি ছোড়ে।  মিন্টু আরেকটি অবৈধ শটগান দিয়ে গুলি ছোড়ে। এমনকি মিন্টুর পক্ষের আরও দু’একজন সন্ত্রাসীরাও অবৈধ অস্ত্র নিয়ে তখন মহরা দেয়। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মেয়র মিরুর গুলিতে আহত হন সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুল। পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি মারা যান তিনি। এ ঘটনায় শিমুলের স্ত্রী মিরু ও মিন্টুসহ ১৮ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ মিরু এবং তার দুই ভাই মিন্টু ও পিন্টুসহ ১৪ জনকে এরই মধ্যে গ্রেফতার করেছে।




আরও খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft