সম্পাদকীয়
গণতন্ত্র ও উন্নয়ন
Published : Monday, 13 March, 2017 at 12:26 AM
গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। গণতন্ত্র বহাল থাকলে উন্নয়ন হয় দেশের, পক্ষান্তরে গণতন্ত্রবিরোধীরা ব্যাহত করে উন্নয়ন। তবে গণতন্ত্রকে আহত করে গণতন্ত্রবিরোধীরা নিজেদের আখের গোছানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। যদিও তাতে শেষ রক্ষা হয় না, তারা নিক্ষিপ্ত হয় ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে। এই গণতন্ত্রবিরোধীরা হতে পারে সামরিক স্বৈরশাসক, কিংবা ছদ্মবেশী গণতন্ত্রী। বাংলাদেশ তাদের প্রথম প্রত্যক্ষ করে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে সপরিবারে হত্যাকা-ের পর। এখনও সেই অপশক্তি সক্রিয় বলেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়, উন্নয়নে সাময়িক স্থবিরতা নেমে আসে। জাতীয় সংসদে সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমালোচকদের উদ্দেশ করে বলেছেন, গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা আছে বলেই দেশের এত উন্নয়ন হচ্ছে। অনেকে বলেন-শুধু উন্নয়ন করলে হবে না, গণতন্ত্র থাকতে হবে। দেশে এত উন্নয়ন ও অগ্রগতির পরও যারা কিছুই দেখতে পান না তারা আসলে কী চায়? যদি দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নাই-ই থাকে তবে সরকারের এত সমালোচনা তারা করেন কীভাবে?
রাজনৈতিক দল হচ্ছে গণতন্ত্রের বাহন। গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ্য ও চোরাগোপ্তা সন্ত্রাসী কর্মকা- চালালে রাজনৈতিক দলকে সন্ত্রাসী দলই বলতে হয়। বিএনপি দেশের অন্যতম একটি প্রধান রাজনৈতিক দল হওয়া সত্ত্বেও তার কর্মকা- বিশ্লেষণ করলে তাকে সন্ত্রাসী দল আখ্যা দেয়াটাই সমীচীন বলে মনে হয়। কথায় বলে ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ’। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী সন্ত্রাসী দল জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির গাঁটছড়া বাঁধার বিষয়টি যেন ওই প্রবাদটিরই একটি সমসাময়িক উদাহরণ। গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় সন্ত্রাসবাদকে সঙ্গী করে রাজনীতির ঘুঁটি চালা হলে তা বুমেরাং হয়ে উঠতে পারে।
শত সমস্যার ভেতরেও দেশ এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগের ওপরে যা বিশ্বের অনেক নেতার কাছেই বিস্ময়কর। জনগণের কল্যাণে ও তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে আন্তরিকতা নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেই দেশের এত উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে। গণতন্ত্রবিরোধীরা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবেÑ এটাই দেশবাসীর বিশ্বাস।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft