আন্তর্জাতিক সংবাদ
মহাজনদের ভোগে যাচ্ছে সুন্দরী মেয়েরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Saturday, 24 December, 2016 at 8:29 PM
মহাজনদের ভোগে যাচ্ছে সুন্দরী মেয়েরাবাবা টাকা নিয়েছিল মহাজনের কাছ থেকে। নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। মহাজনও বেপরোয়া। তার কথাটা যেন এমন- টাকা দিতে না পারলে ঘরের সুন্দরী মেয়েকে দিয়ে দিন।
শেষ পর্যন্ত মহাজনের মন রাখতে ঘরের যুবতী মেয়েকে মহাজনের হাতে তুলে দিয়েই ঋণ পরিশোধ করেলেন অক্ষম বাবা। সম্প্রতি দক্ষিণ পাকিস্তানে এমন ঘটনাই ঘটেছে যুবতির জীবনে। নিজের শরীর দিয়ে বাবার ঋণ পরিশোধ করছেন এই পাক সুন্দরী।
জোর করে তাকে বিয়ে দেয়া হয়েছে এক বৃদ্ধের সঙ্গে। পাকিস্তানের এই তরুণীর ‘অপরাধ’ ওই বৃদ্ধের কাছ থেকে ১ লাখ রূপি ঋণ নিয়েছিলেন তার বাবা। বাড়ির সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে হওয়াটাও যেন তার জন্য আরেক অপরাধ। নিজের সৌন্দর্যহানি করেই তার খেসারত দিতে হলো তাকে।
দক্ষিণ পাকিস্তানে জীবতির মতো অনেক সুন্দরী তরুণীকেই এমন দণ্ড ভোগ করতে হচ্ছে। পরিবারের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বলি দিতে হচ্ছে তাদের সোনালী স্বপ্নগুলো।
বাবা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে বাড়ির সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েকে বাধ্য করা হচ্ছে ঋণদাতাকে বিয়ে করার জন্য। জমি বা বাড়ির মতো ঘরের নারীদেরও গণ্য করা হচ্ছে সম্পত্তি হিসেবে।
বৃদ্ধের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে কোনোভাবেই মেনে নিতে রাজি নন জীবতির মা আমেরি। ‘বাড়ির পুরুষদের সিদ্ধান্ত শেষ কথা। কেন আমার মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেয়া হবে, তাও আবার এমন একজনের সঙ্গে, যার সঙ্গে আমার মেয়ের বয়সের ব্যবধান অনেক। আমি অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে গেলেও পুলিশ অভিযোগ আমলে নিচ্ছে না।’পাকিস্তানের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ পাকিস্তানে এভাবে জোর করে ২ হাজারেরও বেশি মেয়েকে বিয়ে দেয়া হয়েছে। এদের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করছে দক্ষিণ পাকিস্তানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘গ্রিন রুরাল’।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft